বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬ | ২১ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২১ সফর, ১৪৪৮ | রাত ৮:১৭:২৮

রাঙ্গামাটিতে ‘নৌযান শুমারি-২০২৬’ সফল করতে জেলা পর্যায়ে অবহিতকরণ সভা

মো. নাজিম আলী, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০১
শেয়ার: mail
রাঙ্গামাটিতে ‘নৌযান শুমারি-২০২৬’ সফল করতে জেলা পর্যায়ে অবহিতকরণ সভা

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

সারা দেশে পরিচালিতব্য ‘নৌযান শুমারি-২০২৬’ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় নৌযান সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে জেলা পর্যায়ের এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ নাজমা আশরাফী। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙ্গামাটি সিভিল সার্জন ডা. নূয়েন খীসা এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ইকবাল হোসাইন, পিপিএম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

সভায় নৌযান শুমারি-২০২৬-এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, আওতাভুক্ত ও আওতাবহির্ভূত নৌযানের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা, ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহের আধুনিক পদ্ধতি, গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং মাঠপর্যায়ে জরিপ বাস্তবায়নের সার্বিক কৌশল নিয়ে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

উপস্থাপনায় জানানো হয়, বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূল, নদ-নদী, হাওর-বাঁওড়, কাপ্তাই হ্রদসহ অভ্যন্তরীণ নৌপথে চলাচলকারী সকল ইঞ্জিনচালিত নৌযান, ছোট-বড় যাত্রী ও পণ্যবাহী নৌযান এবং ডাম্ব বার্জসহ নির্ধারিত নৌযান এ শুমারির আওতায় থাকবে। তবে সাধারণ বৈঠাচালিত নৌকা এবং আন্তর্জাতিকভাবে নিবন্ধিত বিদেশি মালিকানাধীন নৌযান এ শুমারির আওতাভুক্ত হবে না।

উক্ত শুমারি সফল করতে টেলিভিশন, রেডিও, সংবাদপত্র, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার, মোবাইল এসএমএস এবং ধর্মীয় উপাসনালয়ের মাধ্যমে দেশব্যাপী ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে।

উপস্থাপিত তথ্যানুযায়ী, রাঙ্গামাটি জেলায় শুমারির প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পরিচালিত ‘কুইক কাউন্ট’ অপারেশনে ১০টি উপজেলায় মোট ৪২২টি ঘাট এবং ৪,২৯৬টি নৌযান চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে বরকল উপজেলায় সর্বোচ্চ ১,২৩৩টি, লংগদুতে ১,০৯১টি, রাঙ্গামাটি সদরে ৬৫৭টি, কাপ্তাইয়ে ৪৫০টি এবং বিলাইছড়িতে ২৭১টি নৌযান শনাক্ত করা হয়েছে।

মাঠপর্যায়ে লিস্টিং কাজ সম্পাদন করতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সুপারভাইজার এবং লিস্টার নিয়োগ কার্যক্রম সম্পর্কে সভায় ধারণা দেওয়া হয়। বক্তারা উল্লেখ করেন, সংগৃহীত নির্ভুল তথ্যের মাধ্যমে দেশের নৌপরিবহন খাতের সঠিক পরিকল্পনা, অভ্যন্তরীণ নৌনিরাপত্তা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং টেকসই নীতি নির্ধারণে এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি-বেসরকারি দপ্তর ও নৌযান মালিকদের আন্তরিক সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward