সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬ | ১৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৮ সফর, ১৪৪৮ | রাত ৯:৪৪:৪১

ভিসা বন্ড কী, যে কারণে বাজেয়াপ্ত হতে পারে এর টাকা

কাল প্রকাশ
প্রকাশ: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৬
শেয়ার: mail
ভিসা বন্ড কী, যে কারণে বাজেয়াপ্ত হতে পারে এর টাকা

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেতে বাংলাদেশসহ ৫০টিরও বেশি দেশের নাগরিকদের জন্য স্থায়ী রূপ পেল ট্রাম্প প্রশাসনের আলোচিত ‘ভিসা বন্ড’ কর্মসূচি। মূলত মার্কিন মুলুকে সফর শেষে ভিসার মেয়াদ ফুরানোর আগেই নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতেই নির্দিষ্ট কিছু দেশের ভ্রমণকারীদের জন্য সর্বোচ্চ ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত বা বন্ড দেওয়ার নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের জারি করা এক চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পূর্বে পরিচালিত পরীক্ষামূলক বা পাইলট কর্মসূচির সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে এই বন্ড ব্যবস্থাকে এখন থেকে স্থায়ী নীতি হিসেবে কার্যকর করা হচ্ছে। মূলত বি-১ (ব্যবসায়িক) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসার আবেদনকারীরা বাধ্যতামূলকভাবে এই নিয়মের আওতায় আসবেন।

ভিসা বন্ড আসলে কী? ভিসা বন্ড হলো এক ধরনের ফেরতযোগ্য আর্থিক জামানত, যা যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলার অফিসারের নির্দেশ অনুযায়ী ভিসা অনুমোদনের পূর্বে মার্কিন রাজস্ব দপ্তরের নির্দিষ্ট অনলাইন প্ল্যাটফর্মে জমা দিতে হয়। আবেদনকারীর পেশাগত ও আর্থিক স্থাবর-অস্থাবর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কনস্যুলার কর্মকর্তা তিনটি ধাপে এই বন্ডের পরিমাণ নির্ধারণ করবেন—৫ হাজার, ১০ হাজার, ১৫ হাজার অথবা সর্বোচ্চ ২০ হাজার মার্কিন ডলার।

যাঁরা নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে যুক্ত রাষ্ট্র ত্যাগ করবেন এবং ভিসার সমস্ত শর্তাবলী পুরোপুরি মেনে চলবেন, তাঁদের জমা দেওয়া বন্ডের সম্পূর্ণ অর্থ পরবর্তীতে ফেরত দেওয়া হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রবেশ ও প্রস্থান পথ ব্যবহার করা এই বন্ড চালানের অন্যতম পূর্বশর্ত।

যেসব কারণে বাজেয়াপ্ত হতে পারে বন্ডের টাকা: মার্কিন প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, অনুমোদিত মেয়াদের অতিরিক্ত সময় অবস্থান (ওভারস্টে) করা, ভিসার ক্যাটাগরি পরিবর্তন করে অবৈধভাবে থেকে যাওয়া বা প্রবেশ ও প্রস্থানের শর্তাবলি ভঙ্গ করলে জমা দেওয়া বন্ডের পুরো অর্থ স্থায়ীভাবে বাজেয়াপ্ত করা হবে।

মার্কিন প্রশাসনের মতে, এই ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো ভিসার অপব্যবহার রোধ করা, অবৈধ অভিবাসন ঠেকানো এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত নিরাপত্তাকে জোরদার করা। যেসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে থেকে যাওয়ার প্রবণতা বেশি, মূলত সেসব দেশের ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রেই এই কড়াকড়ি কঠোরভাবে বলবৎ থাকবে।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward