সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬ | ১৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৮ সফর, ১৪৪৮ | রাত ১০:৩৭:০৫

যশোরে গ্রেপ্তার চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ও ৩ সহযোগী

কাল প্রকাশ
প্রকাশ: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:০০
শেয়ার: mail
যশোরে গ্রেপ্তার চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ও ৩ সহযোগী

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরের আলোচিত ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ডেভিড ইমন’কে তিন সহযোগীসহ যশোরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) ভোররাত ৩টার দিকে যশোর সদর উপজেলার ঝুমঝুমপুর এলাকায় একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে বুধবার সকাল ১০টার দিকে গ্রেপ্তারদের চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের বিশেষ টিমের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে এক তথ্য নিশ্চিত করেছেন যশোরের পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ রফিকুল ইসলাম।

যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোররাত ৩টার দিকে যশোর-নড়াইল মহাসড়কের ঝুমঝুমপুর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ডিবি ও থানা-পুলিশের যৌথ দল চেকপোস্ট বসায়। এ সময় চট্টগ্রাম থেকে আসা একটি সন্দেহভাজন গাড়ি তল্লাশি চালিয়ে তিন সহযোগীসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা স্বীকার করেছেন যে, বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশে তাঁরা যশোরে এসেছিলেন। বুধবার সকাল ১০টার দিকে তাঁদের চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সোপর্দ করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরীসহ রাউজান, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলায় বড় আকারের চাঁদাবাজি, গুলি ও সন্ত্রাসী হামলার নেপথ্যে ছিলেন বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খানের অনুসারীরা। একসময় ছোট সাজ্জাদ বড় সাজ্জাদের হয়ে সব অপরাধ পরিচালনা করতেন। তবে ছোট সাজ্জাদ গ্রেপ্তারের পর মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ‘ডেভিড ইমন’ এবং মোহাম্মদ রায়হান দলটির নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। একের পর এক অপরাধ সংঘটন করে আত্মগোপনে থাকলেও অবশেষে সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার আগেই তিনি পুলিশের জালে ধরা পড়েন।

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরের চকবাজার থানার চন্দনপুরা-বাকলিয়া এক্সেস সড়কে অবস্থিত ‘ডিজিটাল ডট নেট’ (ডিডিএন) নামের একটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে ৩০ থেকে ৩৫ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী প্রকাশ্য দিনদুপুরে তাণ্ডব ও লুটপাট চালায়। তারা প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের বেতনের জন্য রাখা ৩৫ লাখ টাকা লুট করে নেয়। এর আগে ১১ জুলাই ডেভিড ইমন পরিচয়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক আদিল বিন মামুনের কাছে বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে এককালীন ২ কোটি টাকা এবং প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। চাঁদা না পেয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় ওই হামলা চালানো হয়, যার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

এর আগে চট্টগ্রাম নগরের অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের ওয়াজেদিয়া এলাকা থেকে গত ২৬ জুলাই রাতে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ডেভিড ইমনের দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. আসিফ (২৫) ও সাইদুল ইসলাম ওরফে আরিফকে (২৪) গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward