বাংলাদেশ ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

বিয়ে ও চাকরির প্রলোভনে তরুণীকে পতিতাপল্লীতে বিক্রির চেষ্টা, ফরিদপুরে গ্রেপ্তার ৩

সংগৃহীত ছবি

বিয়ে ও ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ১৯ বছর বয়সী এক তরুণীকে ফরিদপুর শহরের রথখোলা পতিতাপল্লীতে নিয়ে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে এক নারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী তরুণী পরে নিজেই বাদী হয়ে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন মনির শেখ (৩০), আলম ফকির (২০) ও মুন্নি (২০)। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা একটি সংঘবদ্ধ নারী পাচার চক্রের সদস্য হিসেবে কাজ করছিল।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায়। তিনি ঢাকার ধামরাই এলাকায় মায়ের সঙ্গে থাকতেন এবং একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। ওই সময় ধামরাই এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকা মনির, আলম ও মুন্নির সঙ্গে তার পরিচয় হয়।

পরবর্তীতে মনির শেখ তাকে বিয়ে ও ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। গত ১৪ মে তাকে ফরিদপুর শহরের শিবরামপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে সেখানে অন্য দুইজনও যোগ দেয়।

কয়েক দিন আটকে রাখার পর গত বৃহস্পতিবার তাকে রথখোলা পতিতাপল্লীতে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে তিনি চিৎকার করে পালিয়ে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তা চান। পরে স্থানীয়রা তিনজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই চক্রের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকার তরুণীদের ফাঁদে ফেলে পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনায় জড়িত আরও দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

kalprakash.com/SS

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

বিয়ে ও চাকরির প্রলোভনে তরুণীকে পতিতাপল্লীতে বিক্রির চেষ্টা, ফরিদপুরে গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশিত: ১০:১২:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

বিয়ে ও ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ১৯ বছর বয়সী এক তরুণীকে ফরিদপুর শহরের রথখোলা পতিতাপল্লীতে নিয়ে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে এক নারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী তরুণী পরে নিজেই বাদী হয়ে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন মনির শেখ (৩০), আলম ফকির (২০) ও মুন্নি (২০)। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা একটি সংঘবদ্ধ নারী পাচার চক্রের সদস্য হিসেবে কাজ করছিল।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায়। তিনি ঢাকার ধামরাই এলাকায় মায়ের সঙ্গে থাকতেন এবং একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। ওই সময় ধামরাই এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকা মনির, আলম ও মুন্নির সঙ্গে তার পরিচয় হয়।

পরবর্তীতে মনির শেখ তাকে বিয়ে ও ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। গত ১৪ মে তাকে ফরিদপুর শহরের শিবরামপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে সেখানে অন্য দুইজনও যোগ দেয়।

কয়েক দিন আটকে রাখার পর গত বৃহস্পতিবার তাকে রথখোলা পতিতাপল্লীতে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে তিনি চিৎকার করে পালিয়ে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তা চান। পরে স্থানীয়রা তিনজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই চক্রের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকার তরুণীদের ফাঁদে ফেলে পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনায় জড়িত আরও দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

kalprakash.com/SS