বাংলাদেশ ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

চিতলমারীতে বাড়িতে ঢুকে যুবককে গুলি করে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় বাড়িতে ঢুকে সন্ত্রাসীদের গুলিতে আমির হামজা (৩২) নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকাল আনুমানিক ৪টা ২০ মিনিটের দিকে উপজেলার বড়পোল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং নিহতের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

নিহত আমির হামজা বড়পোল এলাকার বাসিন্দা রুহুল মুন্সির ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় তিনি নিজ বাড়ির ছাদে বসে ছিলেন। এ সময় প্রায় ১২ জন দুর্বৃত্ত হঠাৎ বাড়িতে প্রবেশ করে সরাসরি ছাদে উঠে যায়। তাদের মধ্যে তিনজন মুখোশ পরিহিত ছিল বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

পরিস্থিতি টের পেয়ে আমির হামজা ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পাশের চিত্রা নদীর পাড়ের দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে দুর্বৃত্তরা তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেলে এবং কাছ থেকে মাথা ও ঘাড় লক্ষ্য করে গুলি করে। পরিবারের দাবি, তাকে অন্তত পাঁচটি গুলি করা হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নিহতের পিতা রুহুল মুন্সি জানান, তার ছেলে দুই মাস আগে বিয়ে করেন এবং খুলনার জিন্নাহপাড়া লবনচর এলাকায় স্ত্রীসহ বসবাস করতেন। ঈদ উদযাপনের জন্য তিনি গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন এবং ঈদ শেষে খুলনায় ফেরার প্রস্তুতির মধ্যেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

ঘটনার খবর পেয়ে বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

জনপ্রিয় সংবাদ

চিতলমারীতে বাড়িতে ঢুকে যুবককে গুলি করে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য

প্রকাশিত: ০৬:১২:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় বাড়িতে ঢুকে সন্ত্রাসীদের গুলিতে আমির হামজা (৩২) নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকাল আনুমানিক ৪টা ২০ মিনিটের দিকে উপজেলার বড়পোল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং নিহতের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

নিহত আমির হামজা বড়পোল এলাকার বাসিন্দা রুহুল মুন্সির ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় তিনি নিজ বাড়ির ছাদে বসে ছিলেন। এ সময় প্রায় ১২ জন দুর্বৃত্ত হঠাৎ বাড়িতে প্রবেশ করে সরাসরি ছাদে উঠে যায়। তাদের মধ্যে তিনজন মুখোশ পরিহিত ছিল বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

পরিস্থিতি টের পেয়ে আমির হামজা ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পাশের চিত্রা নদীর পাড়ের দিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে দুর্বৃত্তরা তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেলে এবং কাছ থেকে মাথা ও ঘাড় লক্ষ্য করে গুলি করে। পরিবারের দাবি, তাকে অন্তত পাঁচটি গুলি করা হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নিহতের পিতা রুহুল মুন্সি জানান, তার ছেলে দুই মাস আগে বিয়ে করেন এবং খুলনার জিন্নাহপাড়া লবনচর এলাকায় স্ত্রীসহ বসবাস করতেন। ঈদ উদযাপনের জন্য তিনি গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন এবং ঈদ শেষে খুলনায় ফেরার প্রস্তুতির মধ্যেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

ঘটনার খবর পেয়ে বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।