জাতীয় সংসদ ভবনের প্ল্যানারি হলে সাউন্ড সিস্টেম (এসআইএস সিস্টেম) স্থাপনে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক প্রবীর কুমার দাস এ অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
দুদক জানায়, বিগত সরকারের সময়ে গণপূর্ত বিভাগের জাতীয় সংসদ ভবন কার্যালয়ের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আস্রাফুল হকের তত্ত্বাবধানে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এসআইএস সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন করে। ওই প্রকল্পে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেডের সিইও জাহিদুর রহিম জোয়ারদার যুক্ত ছিলেন।
পরবর্তীতে সংসদ অধিবেশন চলাকালে একাধিকবার সাউন্ড সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দিলে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এরপরই দুদক অভিযোগটির অনুসন্ধান শুরু করে।
এর আগে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সংসদ ভবনে ভাঙচুরের ঘটনায় সাউন্ড সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে একই ঠিকাদারের মাধ্যমে ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়, যার মধ্যে প্রায় ৫ কোটি টাকা ইতোমধ্যে ব্যয় হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের যোগসাজশে সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন ও মেরামতের কাজে অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগও রয়েছে।
দুদক আরও জানায়, অনুসন্ধানের জন্য একাধিকবার নথি চাওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট গণপূর্ত কর্মকর্তারা এখনো প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করেননি।
কাল প্রকাশ ডেস্ক 




















