বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে ১৮টি দেশের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সংসদে কুড়িগ্রাম-২ আসনের এনসিপির সদস্য আতিকুর রহমান মোজাহিদের তারকাচিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর পক্ষে এ তথ্য জানান তিনি।
তিনি বলেন, সৌদি আরবের পর অন্যতম বড় শ্রমবাজার হলো মালয়েশিয়া। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে ৮ থেকে ১১ এপ্রিল প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং তিনি (আরিফুল হক চৌধুরী) দেশটি সফর করেন। ওই সফরে মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। শিগগিরই সেখানে বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণের পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বন্ধ ও সংকুচিত শ্রমবাজার মালয়েশিয়া, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে কর্মী প্রেরণের লক্ষ্যে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, দক্ষ কর্মী তৈরির লক্ষ্যে ১ লাখ ড্রাইভার তৈরির প্রকল্প চলমান রয়েছে, যার নাম দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ প্রদান।
তিনি বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে, তাদের ভিসার মেয়াদ পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
আরিফুল হক চৌধুরী আরও জানান, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে চারটি দেশের সঙ্গে এমওইউ ও এমওসি চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, জাপানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে ১ লাখ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য রয়েছে। এজন্য জাপানি ভাষা শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে জাপান সেল নামে পৃথক ইউনিট গঠন করা হয়েছে।
এছাড়া তিনি জানান, ২০২৫ সালে ১১ লাখ ৩২ হাজার ৫১৯ জন কর্মী বৈদেশিক কর্মসংস্থানে গেছেন, যার মধ্যে ৬২ হাজার ৩৫২ জন নারী কর্মী রয়েছেন।
kalprakash.com/SS
নিজস্ব প্রতিবেদক 























