শারদীয় দুর্গাপূজা ও প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের পশ্চিম জোন। খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকায় ১৪৪টি মন্দির ও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় কাজ করছেন কোস্ট গার্ড সদস্যরা। দেশজুড়ে পূজাকালীন নিরাপত্তা কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছেন বাহিনীর মোট সাড়ে ৩ হাজার সদস্য।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান, এনবিপি, বিএসপি, বিসিজিএম, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকার নিরাপত্তা রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার দায়িত্বের অংশ হিসেবে দুর্গাপূজায় বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে কোস্ট গার্ড। পূজার শুরু থেকেই ধর্মীয় উপাসনালয় ও পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি প্রতিরোধে সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।
পশ্চিম জোনের আওতাধীন তিন জেলার উপকূলীয় এলাকায় পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গেও সমন্বিতভাবে কাজ করছে কোস্ট গার্ড।
বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে প্রতিমা বিসর্জনের সময় নিরাপত্তায়। আগামীকাল বুধবার (২১ অক্টোবর) বিসর্জনস্থলে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা মোকাবিলায় কোস্ট গার্ডের বিশেষ ডুবুরি দল উপস্থিত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এদিকে বিসর্জনে অংশগ্রহণকারী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে বাহিনী। যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে কোস্ট গার্ডের ১৬১১১ নম্বরে যোগাযোগ করলে দ্রুত সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
কোস্ট গার্ডের লক্ষ্য, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যেন নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপন করতে পারেন এবং প্রতিমা বিসর্জনও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।
kalprakash.com/IM