বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ | ২২ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৫ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | দুপুর ১:১১:৩২
শিরোনাম
● সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৯ অস্ত্র ও ১৪ কার্তুজ উদ্ধার ● বরগুনায় প্রাইভেটকারের ধাক্কায় ইজিবাইক দুর্ঘটনা, তাহিদুলের পর মারা গেলেন চালক বাবলু ● বান্দরবানে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সভা, মণ্ডপে নিরাপত্তার আশ্বাস ● তাহিরপুরে দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ অর্ধশতাধিক আহত ● ভারতের কাছ থেকে পানির ন্যায্য হিস্যা চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ● ফুটপাতে মোটরসাইকেল, পথচারীদের চলাচলে ঝুঁকি ● কসবা ও ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তে ১ কোটি টাকার চোরাচালানের মালামাল জব্দ ● তেজগাঁও কলেজ লাইব্রেরিতে নতুন বই সংযোজন ● যবিপ্রবিতে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপ নিয়ে সেমিনার ● সিএমপির দুই থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পদে রদবদল ● সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৯ অস্ত্র ও ১৪ কার্তুজ উদ্ধার ● বরগুনায় প্রাইভেটকারের ধাক্কায় ইজিবাইক দুর্ঘটনা, তাহিদুলের পর মারা গেলেন চালক বাবলু ● বান্দরবানে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সভা, মণ্ডপে নিরাপত্তার আশ্বাস ● তাহিরপুরে দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ অর্ধশতাধিক আহত ● ভারতের কাছ থেকে পানির ন্যায্য হিস্যা চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ● ফুটপাতে মোটরসাইকেল, পথচারীদের চলাচলে ঝুঁকি ● কসবা ও ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তে ১ কোটি টাকার চোরাচালানের মালামাল জব্দ ● তেজগাঁও কলেজ লাইব্রেরিতে নতুন বই সংযোজন ● যবিপ্রবিতে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপ নিয়ে সেমিনার ● সিএমপির দুই থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পদে রদবদল

গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী, প্রশাসনে নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছর

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৪
শেয়ার: mail
গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী, প্রশাসনে নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছর

টানা ২৫ বছর জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনো বিরতি ছাড়াই তিনি রাষ্ট্র পরিচালনায় রয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে আয়োজিত বিকশিত ভারত সংকল্প সভায় ভাষণ দেন মোদি। সেখানে ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে সম্পূর্ণ উন্নত দেশে রূপান্তরের অঙ্গীকার করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে দেশবাসীকে ‘আমরাই করব’ মনোভাব ধারণের আহ্বান জানিয়ে মোদি বলেন, ‘ভারতের থমকে দাঁড়ানোর কোনো সুযোগ বা কারণ নেই। এক শতক আগে আমাদের জনসংখ্যা ছিল ৪০ কোটিরও কম, আর আজ আমরা ১৪০ কোটি। এই ১৪০ কোটি নাগরিক মিলে ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি উন্নত ভারত গড়ে তুলব—এটি নিশ্চিত। আমরা তা করেই ছাড়ব।’

২০৪৭ সালের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে তিনি তুলে ধরেন ভারতকে বিশ্বের শীর্ষ তিন অর্থনীতির একটিতে উন্নীত করা, বৈশ্বিক ম্যানুফ্যাকচারিং হাব বা উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে স্বাবলম্বী করা, অলিম্পিক গেমস আয়োজনের দৌড়ে শামিল হওয়া এবং মহাকাশ গবেষণায় নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর বিষয়গুলো।

দেশের মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার কাছে দেশের জনগণই ঈশ্বর, আর কঠোর পরিশ্রমী বিজেপি কর্মীরাই আমার মূল শক্তি।’ তিনি আরও বলেন, শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকে প্রতিনিয়ত উৎসাহিত করেছেন এবং সমালোচকেরা তাঁকে নিজের দিকে ফিরে তাকাতে শিখিয়েছেন।

নিজের অতীত জীবনের স্মৃতিচারণ করে মোদি বলেন, ‘পঁচিশ বছর আগে, ৫০ বছর বয়সে আমার সময় কাটত বনাঞ্চলে আদিবাসী সম্প্রদায়ের সেবা করে এবং পাহাড়ের সান্নিধ্যে। পরবর্তীতে আমি ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সাংগঠনিক কাজের পথ বেছে নিই। আমার রাজনৈতিক জীবনবৃত্তান্তে ছিল কেবল একজন সাংগঠনিক কর্মীর কাজ। আমি নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও নিজে কখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিনি।’

নির্বাচনী রাজনীতিতে তারকা হওয়ার ব্যক্তিগত কোনো ইচ্ছা তাঁর ছিল না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী রাজনীতিতে আলো ছড়ানোর মানসিকতা থাকলে আমি অনেক আগেই মাঠে নামতাম। জীবনে কী হব বা আমার ভবিষ্যৎ কী—তা নিয়ে থামার সময়ও আমার ছিল না। আমার জীবনের একমাত্র দর্শন হলো—শৈশব থেকে আমাকে যা শেখানো হয়েছে, তা হলো কোনো মিশন বা লক্ষ্যের জন্য বাঁচা, কোনো ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্য নয়।’

নিজের সরকারের সাফল্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, যা একসময় অকল্পনীয় মনে হতো, তা আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে। দেশে ২৫ কোটি মানুষকে চরম দারিদ্র্যসীমা থেকে বের করে আনাই এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ। ২৫ বছরের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি এখন বলতে পারেন, ভারতের এই বৈপ্লবিক রূপান্তর সবার চোখের সামনেই ঘটছে।

বক্তব্যে ফ্লাইদুবাইয়ের সাহসী ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের প্রসঙ্গ তোলেন মোদি। ককপিটে কো-পাইলটের ছুরিকাঘাত সত্ত্বেও ইসরায়েলগামী বিমানটিকে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করায় স্মিতের সাহসিকতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আজ পুরো বিশ্ব ভারতের এই পাইলটের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। একদিন এমন আসবে, যখন পুরো বিশ্ব ভারতে তৈরি (মেড ইন ইন্ডিয়া) বিমান নিয়েও কথা বলবে।’

ভোটের রাজনীতি ও সামাজিক বিভাজনকে ভারতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করে প্রধানমন্ত্রী একটি নতুন স্লোগান দেন। তিনি বলেন, ‘যখন একজন কৃষকের ক্ষেতে পানির অভাব হয়, তখন সেই সমস্যা কি কোনো একটি নির্দিষ্ট জাতির ওপর পড়ে? যখন বিদ্যুৎ থাকে না, তখন কি অন্ধকার কেবল একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের ওপর নেমে আসে? উত্তর হলো না। সুতরাং সমস্যা যদি সবার হয়, তবে তার সমাধানও হতে হবে সবার জন্য।’

২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার শপথ নেওয়ার দিনে ২৫ বছরের এই দীর্ঘ ও অবিচ্ছিন্ন জনসেবার মাইলফলক ছোঁবেন বলে কখনো ভাবেননি বলেও জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী, প্রশাসনে নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছর

বিস্তারিত কমেন্টে