রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ | ১৮ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২১ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | রাত ৮:৫৯:৩৭
শিরোনাম
● প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ● তেজগাঁও কলেজ সরকারি করার দাবিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে স্মারকলিপি ● যানবাহনের গ্যাসের দাম বাড়াল বিইআরসি ● হাসপাতালে শৃঙ্খলা ফেরাতে মাঠে ৫৪ কর্মকর্তা ● কূটনীতিক বহিষ্কারের মার্কিন দাবি নাকচ আরাঘচির ● সিনাইয়ে গাজার ৪০০ শিশুর স্কুল গড়লেন ফিলিস্তিনি শিক্ষক ● ২০ টাকার আলু ১৪ টাকায় ● এআই প্রযুক্তি ব্যবহারকারী ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ তদারকিতে কিম ● ইন্দোনেশিয়ায় ২ গণ্ডারের গর্ভধারণে বিপন্ন প্রজাতি রক্ষায় নতুন আশার আলো ● সাত শর্ত পূরণ না হলে হরমুজ খুলবে না ইরান ● প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ● তেজগাঁও কলেজ সরকারি করার দাবিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে স্মারকলিপি ● যানবাহনের গ্যাসের দাম বাড়াল বিইআরসি ● হাসপাতালে শৃঙ্খলা ফেরাতে মাঠে ৫৪ কর্মকর্তা ● কূটনীতিক বহিষ্কারের মার্কিন দাবি নাকচ আরাঘচির ● সিনাইয়ে গাজার ৪০০ শিশুর স্কুল গড়লেন ফিলিস্তিনি শিক্ষক ● ২০ টাকার আলু ১৪ টাকায় ● এআই প্রযুক্তি ব্যবহারকারী ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ তদারকিতে কিম ● ইন্দোনেশিয়ায় ২ গণ্ডারের গর্ভধারণে বিপন্ন প্রজাতি রক্ষায় নতুন আশার আলো ● সাত শর্ত পূরণ না হলে হরমুজ খুলবে না ইরান

সিনাইয়ে গাজার ৪০০ শিশুর স্কুল গড়লেন ফিলিস্তিনি শিক্ষক

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৯
শেয়ার: mail
সিনাইয়ে গাজার ৪০০ শিশুর স্কুল গড়লেন ফিলিস্তিনি শিক্ষক

মিশরের উত্তর সিনাইয়ে ফিলিস্তিনি শিক্ষক হাদিল জুরোব দেখছেন, যুদ্ধের কারণে ঘরবাড়ি ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হওয়া গাজার বেশ কয়েকজন শিশু এই অঞ্চলের একমাত্র ফিলিস্তিনি স্কুলে প্রবেশ করছে। যুদ্ধ তাদের নিজেদের বাড়ি থেকে বিতাড়িত করার পর তিনি নিজেই স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেছেন।

শিক্ষার্থীরা গাজার সেই শত শত ফিলিস্তিনি শিশুর মধ্যে রয়েছে, যারা ইসরাইল-হামাস যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে এখন গাজার সীমান্ত থেকে ৪৪ কিলোমিটার (২৭ মাইল) দূরের উপকূলীয় শহর এল-আরিশে বসবাস করছে। শহরটির রাস্তাগুলো ধুলোময় ও বেশির ভাগ ভবনই নিচু।

জুরোব নিজেও যুদ্ধের কারণে গাজা থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। তিনি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘তারা মিশরে পালিয়ে এসে এখানে এমন অবস্থায় পড়েছিল, যেখানে তাদের কোনো স্কুল বা শিক্ষার ব্যবস্থা ছিল না। তাই আমি তাদের জন্য একটি শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিই।’

ত্রিশের কোঠায় থাকা জুরোব ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের ইসরাইলে আক্রমণ ও এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরাইলের ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরুর ছয় মাস পর পরিবারের সঙ্গে গাজা ছেড়ে পালিয়ে যান।

তাঁরা এল-আরিশে এসে বসতি স্থাপন করেন। গাজার সীমান্তবর্তী এই শহরটি গাজায় ত্রাণবাহী গাড়িবহর ও চিকিৎসার জন্য রোগীদের সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। আত্মীয়স্বজন তাঁদের নতুন করে জীবন শুরু করতে সহায়তা করেন।

গাজার সীমান্তবর্তী এলাকার অনেক পরিবারের মতো জুরোব পরিবারেরও সীমান্তের উভয় পাশে আত্মীয়স্বজন রয়েছে।

অন্য বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়ে জুরোব একটি ভাড়া করা ভবনে অল্পসংখ্যক শিশুকে পড়ানো শুরু করেন।

পরে উদ্যোগটি বড় হয়ে একটি বিনা মূল্যের স্কুলে পরিণত হয়। বর্তমানে সেখানে ৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। স্কুলটিতে প্রথম বছরে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১৫০।

ভর্তির সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্কুলের ভাড়া ও শিক্ষা উপকরণের খরচ মিশরের অন্যতম বৃহৎ দাতব্য সংস্থা মিসর এল খেইর ফাউন্ডেশনের সহায়তায় বহন করা হচ্ছে বলে জানান জুরোব।

বর্তমানে উত্তর সিনাইয়ে এটিই একমাত্র ফিলিস্তিনি স্কুল। উত্তর সিনাই একটি প্রত্যন্ত ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা অঞ্চল, যেখানে মিশরের ২০১১ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর ইসলামপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে বহু বছর ধরে নিরাপত্তা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। সূত্র: বাসস

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
রোববার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

সিনাইয়ে গাজার ৪০০ শিশুর স্কুল গড়লেন ফিলিস্তিনি শিক্ষক

বিস্তারিত কমেন্টে