মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ১৬ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | বিকাল ৪:৪৫:৫৪

তিস্তা প্রকল্প ও চীনের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৮
শেয়ার: mail
তিস্তা প্রকল্প ও চীনের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

চীনের সঙ্গে বহুল আলোচিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং আধুনিক ৪.৫ প্রজন্মের জে-১০সিই (J-10CE) যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট (এসসিএমপি) ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে হুমায়ুন কবির চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে ‘এক চীন নীতি’র প্রতি ঢাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের ধারাবাহিকতায় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড)-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন চুক্তি এবং মোংলায় একটি বিশেষ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, সিইআইজেড শিল্পাঞ্চলে প্রায় ৩০টি চীনা প্রতিষ্ঠান প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে, যা প্রায় এক লাখ স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। এ ছাড়া তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প, পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের কৌশলগত সংলাপ, প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সংলাপ চালু, বাংলাদেশ থেকে কাঁঠাল ও পেয়ারা রপ্তানি এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আলোচনায় স্থান পায়।

এদিকে বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে চীনের কাছ থেকে জে-১০সিই যুদ্ধবিমান, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভিআইপি হেলিকপ্টার এবং ইউএভি (ড্রোন) কেনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, সরকার গঠিত একটি বিশেষ কমিটি ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত খসড়া চুক্তি প্রস্তুত করেছে। বাজেট বরাদ্দ প্রাপ্তিসাপেক্ষে চলতি বা পরবর্তী অর্থবছরে এ প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকর হতে পারে।

উপদেষ্টা আরও জানান, চীনের তৈরি ৪.৫ প্রজন্মের এই মাল্টি-রোল যুদ্ধবিমানের আধুনিক প্রযুক্তি ও সরাসরি রণক্ষেত্রের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ এটিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে রাফাল কিংবা ইউরোফাইটার টাইফুনের মতো পশ্চিমা যুদ্ধবিমানের তুলনায় এটি মূল্যসাশ্রয়ী ও কার্যকর হওয়ায় প্রতিরক্ষা ক্রয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ চীনের এই সমরাস্ত্রকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

তিস্তা প্রকল্প ও চীনের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে

বিস্তারিত কমেন্টে