সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ | ৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১০ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | বিকাল ৫:৫৫:৫৫

২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার সেতুমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০০
শেয়ার: mail
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার সেতুমন্ত্রীর

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

২০৩০ সালের মধ্যে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে সড়ক দুর্ঘটনা-পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তার জন্য অ্যাম্বুলেন্স প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

সেতুমন্ত্রী বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে চালকদের পেশাগত প্রশিক্ষণ, যানবাহনের ফিটনেস নিশ্চিতকরণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ, হেলমেট ব্যবহারে উদ্বুদ্ধকরণ এবং দুর্ঘটনার পর দ্রুততম সময়ে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, প্রতিবছর দেশে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। ২০২৪ সালে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিদিনই সড়কে অসংখ্য প্রাণ ঝরে যাচ্ছে—এ পরিস্থিতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠায় বহুপক্ষীয় সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সড়ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন হাইওয়ে পুলিশ আইন প্রয়োগ করে এবং দুর্ঘটনার পর আহতদের জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তাই এ তিনটি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে একযোগে কাজ করতে হবে।

শেখ রবিউল আলম আরও জানান, সরকার একটি আধুনিক ও সমন্বিত ‘নিরাপদ সড়ক আইন’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে, যা ২০২৭ সালের মধ্যে কার্যকর হবে। পাশাপাশি বাস ও ট্রাকের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল নির্ধারণ করে পুরোনো যানবাহন স্ক্র্যাপ ও রিসাইক্লিংয়ের আওতায় আনা হচ্ছে। দুর্ঘটনা-পরবর্তী উদ্ধারকাজে দুর্গম এলাকায় দ্রুত পৌঁছাতে অ্যাম্বুলেন্সের পাশাপাশি বিশেষ বাইক অ্যাম্বুলেন্সও যুক্ত করা হয়েছে।

হাইওয়ে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তা ও সরকারি অর্থায়নে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে এসব প্রকল্পের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কতটা কমানো সম্ভব হলো তার ওপর।

অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদল, হাইওয়ে পুলিশ এবং পরিবহন খাতের শীর্ষ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬ | Globe kalprakash.com

২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার সেতুমন্ত্রীর

বিস্তারিত কমেন্টে