প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে নতুন আঙ্গিকে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
আজ শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুল মঈন খান বলেন, ১৯৮১ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালে বিএনপির হাল ধরেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। দীর্ঘ রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি আপসহীন নেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং ১৯৯১ সালে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তুলবে।
মন্ত্রিসভায় নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের অন্তর্ভুক্তিকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছয় মাস আগে গঠিত মন্ত্রিসভায় এই সংযোজন বিশ্বের যেকোনো দেশের মতোই একটি স্বাভাবিক বিষয়। প্রধানমন্ত্রী দেশের সমস্যাগুলো সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে অবগত। এসব সমস্যা দূর করে বাংলাদেশকে একটি গতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত করা এবং বিশ্বে দেশের সুনাম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে দ্বিতীয় একটি ক্রান্তিকালের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর আগে স্বাধীনতার সময়ও দেশের মানুষ একটি সংকটময় পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল। সেই সময় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি নতুন প্রজন্মের সামনে দেশের ইতিহাস তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বারবার বাধাগ্রস্ত হলেও প্রতিবারই বিএনপি দেশকে নতুন করে গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছে।
এ সময় তাঁর সঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন উপস্থিত ছিলেন।
kalprakash.com/IM