দীর্ঘ আট বছরের বিরতি ভেঙে ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ সিনেমার মাধ্যমে আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন বলিউড তারকা প্রীতি জিনতা। আমির খান প্রযোজিত ও রাজকুমার সন্তোষী পরিচালিত ঐতিহাসিক এই নাট্যধর্মী সিনেমায় সানি দেওল, শাবানা আজমি ও আলী ফজলের সাথে স্ক্রিন শেয়ার করবেন তিনি। প্রিয় তারকার রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের খবরের পাশাপাশি এখন নেটদুনিয়ায় জোর আলোচনা চলছে তাঁর বিপুল বৈভব, রিয়েল এস্টেট সাম্রাজ্য ও ব্যবসায়িক বিনিয়োগ নিয়ে।
১৯৯৮ সালে ‘দিল সে’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখা প্রীতি কেবল অভিনয়েই সীমাবদ্ধ থাকেননি, নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবেও। ২০০৮ সালে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘পাঞ্জাব কিংস’–এর মালিকানার অংশীদারিত্ব কিনে ব্যবসায়িক জগতে চমক দেখান তিনি। পরবর্তী সময়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন খাতেও বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেন এ অভিনেত্রী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বর্তমানে প্রীতি জিনতার মোট স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৮৩ কোটি রুপি।
মুম্বাইয়ের আবাসন খাত:
মুম্বাইয়ের অভিজাত বান্দ্রার পালি হিল এলাকায় প্রীতির বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ছিল। ২০২৩ সালের অক্টোবরে ১ হাজার ৪৭৪ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনার পর ২০২৫ সালের নভেম্বরে তিনি সেটি ১৪ কোটি রুপির বেশি মূল্যে বিক্রি করেন। এরপর ২০২৬ সালের মার্চে একই ভবনের ১ হাজার ৭৭০ বর্গফুটের আরেকটি ফ্ল্যাট বিক্রি করেন প্রায় ১৮ কোটি ৫০ লাখ রুপিতে। বর্তমানে মুম্বাইয়ের আর্ট বেদ ভবনে প্রায় দেড় হাজার বর্গফুটের একটি অভিজাত অ্যাপার্টমেন্টে মাসিক প্রায় ৬ লাখ রুপি ভাড়ায় অবস্থান করছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের বিলাসবহুল ভিলা:
স্বামী জিন গুডএনাফ ও দুই সন্তানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করা প্রীতির লস অ্যাঞ্জেলেসে রয়েছে একটি চোখধাঁধানো ভিলা, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪০ কোটি রুপি।
এছাড়াও ভারত ও বিদেশে থাকা তাঁর একাধিক বাণিজ্যিক ও আবাসিক সম্পত্তি থেকে নিয়মিত মোটা অঙ্কের ভাড়া আয় হয়। সব মিলিয়ে অভিনয়, আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজির লভ্যাংশ এবং দূরদর্শী রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রীতি জিনতা আজ কয়েকশ কোটি রুপির সম্পদের মালিক।
kalprakash.com/IM