স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম-দুর্নীতি, সরকারি প্রণোদনা আত্মসাৎ, সরকারি সেবা পেতে ঘুষ গ্রহণ ও চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগ এনে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অপসারণ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই দলেরই স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ১০ নম্বর যোগানিয়া ইউনিয়ন বিএনপির ওয়ার্ড কমিটির নেতৃবৃন্দ এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
উপজেলার কাপাসিয়া এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন যোগানিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাদশা মিয়া। অভিযুক্তরা হলেন—যোগানিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে শেরপুর শহর বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম তালুকদার রিপন, উপজেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলামসহ যোগানিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী এবং সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেনের ছেলে ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ ছাড়া সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে সংগঠন পরিচালনা, ত্যাগী নেতাদের অবমূল্যায়ন, সরকারি ও সামাজিক ভাতার সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ঘুষ আদায়সহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়।
সংবাদ সম্মেলন থেকে দলের হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে যোগানিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, “আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের হেয়-প্রতিপন্ন করার জন্য একটি পক্ষ এই ষড়যন্ত্র করছে।”
kalprakash.com/IM