ঘুমানোর সময় মাথার নিচে বালিশ ব্যবহার করা সাধারণ অভ্যাস হলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীরের নির্দিষ্ট কিছু স্থানে বালিশ ব্যবহার করলে স্বাস্থ্যগত নানা উপকার পাওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে পায়ের ফাঁকে, পায়ের নিচে বা হাঁটুর নিচে বালিশ রেখে ঘুমানোর অভ্যাস মেরুদণ্ড ও পেশির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এক পাশে কাত হয়ে ঘুমানোর সময় পায়ের ফাঁকে বালিশ রাখলে মেরুদণ্ড সোজা অবস্থায় থাকে এবং শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকে। এতে কোমর, পেলভিস ও নিচের অংশের মেরুদণ্ডের ওপর চাপ কম পড়ে।
চিকিৎসকদের ভাষ্য, পায়ের ফাঁকে বালিশ না থাকলে ঘুমের সময় শরীরের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে মেরুদণ্ডে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হতে পারে। দীর্ঘদিন এমন অবস্থায় ঘুমালে কোমর ও পিঠের ব্যথার ঝুঁকি বাড়তে পারে। বালিশ ব্যবহারের ফলে সেই ঝুঁকি অনেকটাই কমে।
এ ছাড়া হাঁটুর নিচে বালিশ রেখে ঘুমালে শরীরের ভঙ্গি বা বডি পোস্টার ঠিক থাকে। এতে ঘাড়, কাঁধ ও নিচের পিঠের ব্যথা কমাতে সহায়তা মিলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এ অভ্যাস মেরুদণ্ড-সংক্রান্ত কিছু সমস্যার ঝুঁকিও হ্রাস করতে সাহায্য করতে পারে।
যাদের কোমরব্যথা, পিঠের ব্যথা বা আর্থ্রাইটিসের মতো সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য পায়ের ফাঁকে বা হাঁটুর নিচে নরম বালিশ ব্যবহার উপকারী হতে পারে। তবে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা বা শারীরিক জটিলতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই উত্তম।
সুস্থ ও আরামদায়ক ঘুমের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পায়ের ফাঁকে, পায়ের নিচে কিংবা হাঁটুর নিচে বালিশ ব্যবহার করা যেতে পারে বলে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
কাল প্রকাশ ডেস্ক 
























