ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিনে রাজধানী ঢাকা ছাড়তে শুরু করা উত্তরবঙ্গগামী ঘরমুখো মানুষের কারণে ঢাকা–টাঙ্গাইল–যমুনা সেতু মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, বৃষ্টি এবং যমুনা সেতু সংযোগ সড়কে একাধিক গাড়ি বিকল হয়ে পড়ায় প্রায় ২২ কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে তীব্র যানজট দেখা দেয়।
সোমবার (২৫ মে) রাত থেকে যমুনা সেতু টোল প্লাজা থেকে টাঙ্গাইলের রাবনা পর্যন্ত যানজট শুরু হয়, যা মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। এতে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন বলে জানা গেছে।
রাত থেকেই গোড়াই, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল বাইপাস, এলেঙ্গা, রাবনা বাইপাস ও যমুনা সেতু পূর্বপাড় এলাকায় থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হয়। দূরপাল্লার বাসের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও পণ্যবাহী যানবাহনেও যাত্রীরা গন্তব্যে রওনা হন।
পুলিশ জানিয়েছে, যানজট নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, রোববার রাত ১২টা থেকে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে ৫৩ হাজারের বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহনের চাপ ছিল তুলনামূলকভাবে বেশি।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, রাতের বৃষ্টি ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপই যানজটের প্রধান কারণ। পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
সোমবার (২৫ মে) রাত থেকে যমুনা সেতু টোল প্লাজা থেকে টাঙ্গাইলের রাবনা পর্যন্ত যানজট শুরু হয়, যা মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। এতে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন বলে জানা গেছে।
রাত থেকেই গোড়াই, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল বাইপাস, এলেঙ্গা, রাবনা বাইপাস ও যমুনা সেতু পূর্বপাড় এলাকায় থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হয়। দূরপাল্লার বাসের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও পণ্যবাহী যানবাহনেও যাত্রীরা গন্তব্যে রওনা হন।
পুলিশ জানিয়েছে, যানজট নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, রোববার রাত ১২টা থেকে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে ৫৩ হাজারের বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহনের চাপ ছিল তুলনামূলকভাবে বেশি।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, রাতের বৃষ্টি ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপই যানজটের প্রধান কারণ। পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
অনলাইন ডেস্ক 





















