ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর উত্তরায় তৃতীয় দিনের মতো সড়ক অবরোধ করেছেন পোশাকশ্রমিকরা।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর বিমানবন্দর ও আজমপুর সড়ক অবরোধ করেন বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।
শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের কারণে বিমানবন্দর সড়কে যান চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও সাধারণ মানুষ। অনেককে যানবাহন ছেড়ে হেঁটেই গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হতে দেখা গেছে।
পুলিশের উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) রুবেল হক জানান, কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা বুধবার সকালে আজমপুর এলাকায় সড়কে নেমে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। পরে তাঁরা বিমানবন্দরের দিকে সরে যান। তখন বিমানবন্দর সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নেওয়ায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। একপর্যায়ে সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে অফিসগামী মানুষ, কর্মজীবী, যাত্রীসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে বিপাকে পড়েন অনেকে। যানজটে আটকে থাকা যাত্রীদের কেউ কেউ বাস ও অন্যান্য যানবাহন থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের দিকে যেতে থাকেন।
উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) শাহজাহান হোসেন বলেন, ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করাসহ কয়েকটি দাবিতে সোমবার থেকে সড়কে বিক্ষোভ করে আসছেন কিছু পোশাক কারখানার কর্মীরা।
শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তরা বিভাগের ডিসি মো. রেজাউল করিম জানান, মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বেশ কয়েকটি গার্মেন্টসের শ্রমিকরা একযোগে রাস্তা অবরোধ করেন। এ কারণে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিছুক্ষণ আগে রাস্তা থেকে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
kalprakash.com/IM