১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার সম্প্রতি প্রকাশিত ফলাফলে সিভিল জজ হিসেবে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন নাটোরের কৃতী সন্তান মোছা. সালমা খাতুন। তাঁর এ সাফল্যে পরিবার, স্বজন, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের সৃষ্টি হয়েছে।
মোছা. সালমা খাতুন নাটোর সদর উপজেলার ছাতনী ইউনিয়নের আগদীঘা গ্রামের মো. ছলেমান দর্জির কনিষ্ঠ কন্যা। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী সালমা অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে শিক্ষাজীবনে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করেন।
সালমা ২০১৩ সালে নাটোর সদর উপজেলার আগদীঘা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। এরপর ২০১৫ সালে চন্দ্রকোলা ডিগ্রি কলেজ (তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কলেজ, চন্দ্রকোলা, নাটোর) থেকে এইচএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ অর্জন করেন।
উচ্চমাধ্যমিকের পর তিনি কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। সেখানেও তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। এলএলবি (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় এবং এলএলএম (মাস্টার্স) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হন।
শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিক সাফল্যের পর ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে চূড়ান্তভাবে সিভিল জজ হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হন তিনি।
নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে সালমা জানান, একজন দক্ষ ও সৎ বিচারক হিসেবে দেশের মানুষের মাঝে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চান তিনি। বিচারপ্রার্থী মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল থেকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করাই তাঁর লক্ষ্য।
সালমার এ অনন্য সাফল্যে তাঁর পরিবার, আত্মীয়স্বজন, এলাকাবাসী এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তাঁরা সালমার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং কর্মজীবনে সাফল্য কামনা করেছেন।
kalprakash.com/IM