ইরাকের প্রেসিডেন্ট নিজার আমিদি বলেছেন, তাঁর দেশে আর আন্তর্জাতিক জোট বাহিনীর উপস্থিতির কোনো প্রয়োজন নেই। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব বাহিনীর ইরাক ত্যাগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
শনিবার (২২ আগস্ট) তিনি বলেন, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশ বা আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বাগদাদের অনুরোধেই আন্তর্জাতিক জোট ইরাকে প্রবেশ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে দেশে আপেক্ষিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং ইরাকের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীর সক্ষমতাও বেড়েছে। ফলে এখন আর বিদেশি জোট বাহিনীর অবস্থানের প্রয়োজন নেই।
ইরাকের জাতীয় সার্বভৌমত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করে আমিদি বলেন, কোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালানোর জন্য ইরাকের ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে না। ইরাকের মাটিকে অন্য কোনো দেশের ওপর হামলার ঘাঁটিতে পরিণত করতেও দেওয়া হবে না।
সম্প্রতি ইরানের সংসদ স্পিকার ড. মোহাম্মদ বাকের কলিবফের ইরাক সফরের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ইরানি পার্লামেন্ট স্পিকারের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন ও পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত বার্তা ইরানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সব সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে। সরকার বর্তমানে নিরাপত্তা ও অর্থনীতি—এই দুটি বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্ব দিচ্ছে এবং অর্থনৈতিক খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: এএনআই, পার্সটুডে
kalprakash.com/IM