সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬ | ১৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৮ সফর, ১৪৪৮ | রাত ৯:৪৫:১৪

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় এনবিআরের সাবেক সদস্য মতিউরের বিচার শুরু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৪
শেয়ার: mail
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় এনবিআরের সাবেক সদস্য মতিউরের বিচার শুরু

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে এ মামলায় আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলো।

সোমবার (৩ আগস্ট) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি এম তারিকুল কবীরের আদালত এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।

দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ আলী সালাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিন কারাগার থেকে আসামি মতিউরকে আদালতে আনা হয়। প্রথমে তাঁকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় এবং পরে বিচারকের সামনে তোলা হয়। এ সময় তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পড়ে শোনানো হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

এরপর মতিউর রহমানের জামিন চেয়ে শুনানি করেন আইনজীবী আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও মো. বোরহান উদ্দিন। দুদক প্রসিকিউটর জামিনের বিরোধিতা করলে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দাখিল করা চার্জশিটে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান তাঁর সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে কোরবানির পশুর হাটে ১৫ লাখ টাকায় একটি ছাগল কিনতে গিয়ে আলোচনায় আসেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার পর জানা যায়, তাঁর বাবা এনবিআরের সাবেক সদস্য ও কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমান। এরপর তাঁর পরিবারের বিপুল বিত্তবৈভবের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসতে থাকে।

পরবর্তীকালে ২০২৪ সালের ৪ জুন মতিউর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক। অনুসন্ধানে মতিউর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে ৬৫ বিঘা জমি, আটটি ফ্ল্যাট, দুটি রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট এবং তিনটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়া যায়। একই সঙ্গে মতিউর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব ও শেয়ারবাজারের বিও হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward