রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬ | ২৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২৪ সফর, ১৪৪৮ | ভোর ৫:১৪:১৫

বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, সাময়িকভাবে বন্ধ মোবাইল ইন্টারনেট

কাল প্রকাশ
প্রকাশ: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩০
শেয়ার: mail
বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, সাময়িকভাবে বন্ধ মোবাইল ইন্টারনেট

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থী ও তরুণেরা। সোমবার (২০ জুলাই) সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর দিন চলো সংসদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। এতে বিক্ষোভকারী ও পুলিশ—উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বানে হাজারো মানুষ জন্তর মন্তরে জড়ো হয়ে সংসদের দিকে পদযাত্রার চেষ্টা করেন। তবে এ কর্মসূচির অনুমতি না থাকায় পুলিশ তাদের অগ্রযাত্রায় বাধা দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, সংসদমুখী মিছিল ব্যারিকেড অতিক্রমের চেষ্টা করলে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে এবং পরে লাঠিচার্জ চালায়। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাক্কাধাক্কি ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মধ্য দিল্লির কয়েকটি এলাকায় সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়। একই সঙ্গে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে রাজীব চৌক, জনপথ, প্যাটেল চৌক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ও সেবা তীর্থ—এই পাঁচটি মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এতে নগরজুড়ে যাত্রীদের দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়।

এর আগে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছিল, কর্মসূচির জন্য কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। এক্সে দেওয়া এক বার্তায় পুলিশ জানায়, জন্তর মন্তরের নির্ধারিত স্থান ছাড়া অন্য কোথাও অনুমতি ছাড়া মিছিল, সমাবেশ বা পাঁচজনের বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ। নির্দেশ অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও সতর্কতা দেওয়া হয়।

অন্যদিকে সিজেপি তাদের সমর্থকদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, কোথাও বাধার মুখে পড়লেও উত্তেজিত না হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি চালিয়ে যেতে হবে।

উল্লেখ্য, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভারতে শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবি তুলেছে অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে গঠিত ককরোচ জনতা পার্টি। পরে আন্দোলনে যোগ দেন অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক। তিনি গত ২৮ জুন থেকে জন্তর মন্তরে অনশন শুরু করেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত শনিবার তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

হাসপাতাল থেকে দেওয়া এক বার্তায় ওয়াংচুক বলেন, প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতার দায় সরকার স্বীকার না করা কিংবা বিষয়টি সংসদে আলোচনার নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward