সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ | ১৫ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১৭ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | রাত ৯:৩৩:৩৭

আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী, বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনের আশ্বাস

কাল প্রকাশ
প্রকাশ: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩২
শেয়ার: mail
আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী, বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনের আশ্বাস

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত রাঙামাটিতে বন্যা পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হতে শুরু করেছে। বিশেষ করে বাঘাইছড়ি উপজেলায় পানি কমতে শুরু করেছে। তবে জেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে এখনও হাজারো মানুষ অবস্থান করছেন। সরকারি সংস্থা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) বিকেলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এমপি রাঙামাটি পৌর এলাকার ওমদা মিয়া হিল পৌর জুনিয়র হাই স্কুল আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি আশ্রিতদের খোঁজখবর নেন এবং বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষ নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যাবেন। যাদের বাড়িঘর পাহাড়ধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট মেরামতের ব্যবস্থা সরকারের পক্ষ থেকে করা হবে।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জেলায় মোট ৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৬৩৭ জন আশ্রয় নিয়েছেন। এর মধ্যে রাঙামাটি পৌরসভা ও সদর উপজেলায় ৯টি, বাঘাইছড়ি পৌরসভা ও উপজেলায় ২২টি, কাউখালীতে ২টি, রাজস্থলীতে ৩টি, বিলাইছড়িতে ৪টি, জুরাছড়িতে ১টি, নানিয়ারচরে ১টি এবং বরকল উপজেলায় ৪টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু রয়েছে।

এদিকে, সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ানের নির্দেশনায় বরকল উপজেলার সীমান্তবর্তী খুব্বাং এলাকার খুব্বাং মুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রিতদের মাঝে ত্রাণ, শুকনা খাবার ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৩ নম্বর আইমাছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সদস্য সুবিমল চাকমা।

অন্যদিকে, রাঙামাটির লংগদু উপজেলার উলুছড়ি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড ও খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন লংগদু জোনের উদ্যোগে পরিচালিত এ মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে সেনাসদস্যরা আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করে আশ্রিতদের খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও নিরাপদ বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করেন।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বাঘাইছড়িসহ কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। দুর্গত মানুষের জন্য ত্রাণ বিতরণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬ | Globe kalprakash.com

আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী, বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনের আশ্বাস

বিস্তারিত কমেন্টে