বাংলাদেশ ০৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo গরমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পান্তা ভাত খাওয়ার পরামর্শ Logo প্রশ্নফাঁস রোধে বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন : শিক্ষামন্ত্রী Logo “প্রশাসনহীন নালিতাবাড়ী: উন্নয়ন থেমে, ভোগান্তি বেড়ে” Logo জ্বালানি তেল ও এলপিজি মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ছাত্রশিবির Logo উত্তরা ব্যাংকের ব্রোকারেজ হাউজে ১৯২ কোটি টাকা বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত Logo তিতাস গ্যাসের ২৮৩ কোটি টাকার শেয়ার ইস্যুতে বিএসইসির সম্মতি Logo বাঘের তাড়া খেয়ে লোকালয়ে ঢোকা হরিণকে সুন্দরবনে অবমুক্ত Logo বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ জনের নাম ঘোষণা Logo বেরোবিতে খেলা চলাকালে নারী খেলোয়াড়কে ইভটিজিংয়ের অভিযোগ পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে রাশেদ প্রধানের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে ইউট্যাব কুবির নিন্দা

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাংলাভাষী সবাইকে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা

তারেক রহমান (ফাইল ছবি)

পহেলা বৈশাখকে জাতিসত্তা, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে বাংলা নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আগামীকাল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সোমবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি বাংলা ১৪৩২ সালকে বিদায় জানিয়ে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জীবনে প্রতি বছর নতুনের আহ্বান নিয়ে আসে এবং পুরোনো জীর্ণতা ও হতাশা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।

তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি ও প্রকৃতিভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও কৃষকেরা প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফসল উৎপাদনের সময় নির্ধারণ করেন। হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধ নববর্ষের মাধ্যমে নতুন করে প্রাণ পায়।

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বৈশাখি মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্য তুলে ধরে এবং জাতিকে ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ করে। নববর্ষ নতুন সম্ভাবনা ও প্রত্যাশার বার্তা নিয়ে আসে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, জনগণের জীবনমান উন্নয়নে নতুন সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি এবং ধর্মীয় নেতাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি। কৃষি খাতের উন্নয়নে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমও নববর্ষ থেকেই শুরু হয়েছে।

বাণীতে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের সহনশীলতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে। বিশ্বব্যাপী চলমান সংকটের মধ্যে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরও জরুরি হয়ে উঠেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

নববর্ষের শুভক্ষণে সবাইকে সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। শেষে তিনি নববর্ষ সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক—এই কামনা করেন।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

গরমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পান্তা ভাত খাওয়ার পরামর্শ

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাংলাভাষী সবাইকে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা

প্রকাশিত: ০৬:১২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

পহেলা বৈশাখকে জাতিসত্তা, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে বাংলা নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আগামীকাল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সোমবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি বাংলা ১৪৩২ সালকে বিদায় জানিয়ে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জীবনে প্রতি বছর নতুনের আহ্বান নিয়ে আসে এবং পুরোনো জীর্ণতা ও হতাশা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।

তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি ও প্রকৃতিভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও কৃষকেরা প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফসল উৎপাদনের সময় নির্ধারণ করেন। হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধ নববর্ষের মাধ্যমে নতুন করে প্রাণ পায়।

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বৈশাখি মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্য তুলে ধরে এবং জাতিকে ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ করে। নববর্ষ নতুন সম্ভাবনা ও প্রত্যাশার বার্তা নিয়ে আসে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, জনগণের জীবনমান উন্নয়নে নতুন সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি এবং ধর্মীয় নেতাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি। কৃষি খাতের উন্নয়নে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমও নববর্ষ থেকেই শুরু হয়েছে।

বাণীতে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের সহনশীলতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে। বিশ্বব্যাপী চলমান সংকটের মধ্যে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরও জরুরি হয়ে উঠেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

নববর্ষের শুভক্ষণে সবাইকে সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। শেষে তিনি নববর্ষ সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক—এই কামনা করেন।

kalprakash.com/SS