যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য র্যালি, পুষ্পস্তবক অর্পণ, এক মিনিট নীরবতা পালন এবং বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন।
পরে উপাচার্যের নেতৃত্বে প্রশাসন ভবন চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীরউত্তম) কর্তৃক স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তরের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, অধ্যাপক ড. নজিবুল হক, জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফারুকুজ্জামান খান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব, জামায়াতপন্থী গ্রিন ফোরাম, শাখা ছাত্রদলসহ বিভিন্ন হল, বিভাগ, পরিষদ ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। পরে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং দেশ ও জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ যখনই সংকটময় মুহূর্তে পড়েছে, তখনই জিয়া পরিবার রাষ্ট্রের হাল ধরেছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, তাঁর সহধর্মিণী বাংলাদেশের আপামর মানুষের প্রাণপ্রিয় নেত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া এবং তাঁদের সুযোগ্য সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংকটকালে রাষ্ট্রের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অতীতের ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থা থেকে উত্তরণে প্রশাসনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা, যুগোপযোগী শিক্ষাক্রম প্রণয়ন এবং দক্ষ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।