রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ | ২ কার্তিক, ১৪৩৩ | ৬ জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | রাত ৮:৪২:৪৩
শিরোনাম
● সৌদিতে ৫ শিয়া তরুণের মৃত্যুদণ্ড নিয়ে মুখ খুলল ইউরোপীয় সৌদি মানবাধিকার সংস্থা ● জমকালো আয়োজনে শুরু হয়েছে দুবাই গ্লোবাল ভিলেজের ৩১তম আসর ● ইলন মাস্কের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করল টিকটক ● ‘শর্ত মানলে ৭ দিনেই খুলবে হরমুজ প্রণালি’ ● ফ্রান্সে নজিরবিহীন বিক্ষোভ-সহিংসতা, ট্রাম্প বললেন ‘চলুন যোগ দিই’ ● পূজার ছুটিতে বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু ● কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুন, হতাহত অনেক ● বিশ্বের শীর্ষ ১০ ব্যাংকের প্রথম চারটিই চীনের ● গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ৭৫ ফিলিস্তিনির লাশ ● নতুন দামে ১ লাখের ঘরে মিলবে ১ ভরি স্বর্ণ ● সৌদিতে ৫ শিয়া তরুণের মৃত্যুদণ্ড নিয়ে মুখ খুলল ইউরোপীয় সৌদি মানবাধিকার সংস্থা ● জমকালো আয়োজনে শুরু হয়েছে দুবাই গ্লোবাল ভিলেজের ৩১তম আসর ● ইলন মাস্কের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করল টিকটক ● ‘শর্ত মানলে ৭ দিনেই খুলবে হরমুজ প্রণালি’ ● ফ্রান্সে নজিরবিহীন বিক্ষোভ-সহিংসতা, ট্রাম্প বললেন ‘চলুন যোগ দিই’ ● পূজার ছুটিতে বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু ● কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুন, হতাহত অনেক ● বিশ্বের শীর্ষ ১০ ব্যাংকের প্রথম চারটিই চীনের ● গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ৭৫ ফিলিস্তিনির লাশ ● নতুন দামে ১ লাখের ঘরে মিলবে ১ ভরি স্বর্ণ

ফ্রান্সে নজিরবিহীন বিক্ষোভ-সহিংসতা, ট্রাম্প বললেন ‘চলুন যোগ দিই’

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪১
শেয়ার: mail
ফ্রান্সে নজিরবিহীন বিক্ষোভ-সহিংসতা, ট্রাম্প বললেন ‘চলুন যোগ দিই’

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইউরোপের দেশ ফ্রান্সে চলমান নজিরবিহীন আন্দোলন ভয়াবহ সহিংস আকার ধারণ করেছে। হাজার হাজার মানুষের বিক্ষোভ-সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও সংঘর্ষের ঘটনায় দেশটির বিভিন্ন শহরের রাস্তাঘাট ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। দেশটির এই অস্থিরতা নিয়ে উপহাস করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ‘বিপ্লবের’ জন্য ফ্রান্স স্বাভাবিক গন্তব্য বলেই মনে হচ্ছে।

ফ্রান্সের পরিস্থিতি নিয়ে ব্যঙ্গ করে ট্রাম্প বলেন, ‘চলুন ফ্রান্সে যাই? চমৎকার জায়গা। কোনো দাঙ্গা নেই, কোনো বিপ্লব নেই। জানেন তো, ফ্রান্স যেন বিপ্লবের জন্য দারুণ উপযুক্ত জায়গা। অবিশ্বাস্য! চলুন ফ্রান্সে গিয়ে বিপ্লবে যোগ দিই।’

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলা ছাত্র আন্দোলনের পর রোববার সকালে ফ্রান্সের নাগরিকেরা ধ্বংসস্তূপে ভরা রাজপথ দেখেছেন। এমন সময় দেশটিকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ওই মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। আগামী ছয় মাস পর ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর উত্তরসূরি নির্বাচনে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সও এই সহিংসতার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দেশটির অভিবাসন নীতিকে দায়ী করে তিনি বলেছেন, ফ্রান্স এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশ মানুষের পারস্পরিক সংগতি ও আত্মীকরণের প্রশ্নটি ঠিকমতো মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভ্যান্স লিখেছেন, ‘বৈচিত্র্য ও সহানুভূতির নামে পশ্চিমা উদারপন্থীরা তৃতীয় বিশ্বকে ফ্রান্সে এবং অন্যান্য দেশে আমদানি করেছেন। তাঁরা আত্মীকরণ ও সংগতির মৌলিক প্রশ্নগুলোকে উপেক্ষা করেছেন।’

তিনি বলেছেন, ‘তাঁদের আগেই সতর্ক করা হয়েছিল যে এর পরিণাম এমন হতে পারে। কিন্তু তাঁরা শোনেননি। আমি প্রার্থনা করি, অসাধারণ মানুষের সুন্দর দেশ ফ্রান্স, তার আরও কোনো ঐতিহাসিক স্থাপনা পুড়ে যাওয়ার আগেই এই পাগলামি বন্ধ করুক।’

মার্কিন এই ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমেরিকানরা বিষয়টি খেয়াল করছেন বলে আমি প্রত্যাশা করছি। মার্কিন কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটরা আপনাদের দেশের জন্য ঠিক এই ভবিষ্যৎ কামনা করেন।’

ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভে ব্যাপক সহিংসতা

নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশজুড়ে আয়োজিত বিক্ষোভে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে গত শনিবার উত্তাল হয়ে ওঠে ফ্রান্স। রাজপথের এই প্রতিবাদ সহিংসতা, ব্যাপক ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগে রূপ নেয়।

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজধানী প্যারিসসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে আয়োজিত বিক্ষোভস্থলের পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে এই সহিংসতা শুরু হয়। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভ সমাবেশে ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ অংশ নেন। অন্যদিকে আন্দোলনে অংশ নেওয়া সিজিটি ইউনিয়ন বলেছে, এই সংখ্যা ছিল ৮ লাখ।

বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ও আতশবাজি নিক্ষেপ করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করেছে। প্যারিসের মেয়র ইমানুয়েল গ্রেগোইরে বলেন, রাজধানীর পুরো রাস্তাঘাট ‘ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে’। মুখোশধারী তরুণদের দল রাস্তার পাশে থাকা গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে এবং দোকানপাট লুট করেছে।

টাউন হল, পর্যটন অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

দেশটির স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষ এক কর্মকর্তা বলেছেন, লিমোগেস শহরে ১৪০ বছরেরও বেশি পুরোনো একটি টাউন হলে মুখোশধারী বিক্ষোভকারীরা জোরপূর্বক ঢুকে পড়েন এবং সেখানে আগুন ধরিয়ে দিলে ভবনটি প্রায় সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। এ ছাড়া মার্সেই ও লিলের আরও দুটি টাউন হলে ঢুকে ভাঙচুর চালানো হয়।

বোর্দো শহরের একটি পুলিশ ফাঁড়িতেও ভাঙচুর করেছেন বিক্ষোভকারীরা। অন্যদিকে লিয়োঁ শহরে একটি পর্যটন অফিসেও বিক্ষোভকারীরা আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, সহিংসতা, ভাঙচুর এবং লুটপাটের সঙ্গে যাঁরা জড়িত, তাঁদের প্রত্যেককে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। তিনি বলেন, ‘যাঁরা ভাঙচুর চালিয়েছেন, প্রশাসনিক কার্যালয় ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে হামলা করেছেন কিংবা আমাদের টাউন হলগুলোতেও লুটপাট চালিয়েছেন, তাঁদের সবাইকে বিচারের আওতায় আনা হবে এবং শাস্তি দেওয়া হবে।’

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

ফ্রান্সে নজিরবিহীন বিক্ষোভ-সহিংসতা, ট্রাম্প বললেন ‘চলুন যোগ দিই’

বিস্তারিত কমেন্টে