কৃষি জমির মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি এবং রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভার্মিকম্পোস্ট (কেঁচো সার) উৎপাদন ও ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের জৈব সার ব্যবহারে উৎসাহিত করতে এ ধরনের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘদিন অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে অনেক ক্ষেত্রে মাটির স্বাভাবিক গুণাগুণ ও উর্বরতা কমে যেতে পারে। এ অবস্থায় পরিবেশবান্ধব ও মাটির জন্য উপকারী জৈব সার হিসেবে ভার্মিকম্পোস্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এটি ব্যবহারের মাধ্যমে মাটির জৈব উপাদান বৃদ্ধি, মাটির গঠন উন্নত এবং ফসল উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার পাশাপাশি কৃষকের সার ব্যবহারের খরচও কমানো সম্ভব।
ভার্মিকম্পোস্ট প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের নিজস্বভাবে জৈব সার উৎপাদন ও ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এতে একদিকে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমবে, অন্যদিকে জমির দীর্ঘমেয়াদি উর্বরতা বজায় রাখতে সহায়তা হবে।
প্রকল্প পরিদর্শন ও কার্যক্রমের সময় উপস্থিত ছিলেন কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছামিউল ইসলাম। তিনি কৃষকদের জৈব সার ব্যবহারে আরও আগ্রহী হওয়ার আহ্বান জানান এবং কৃষি জমির উৎপাদনশীলতা ও মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় ভার্মিকম্পোস্টের মতো পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন।
কৃষকদের মতে, সঠিকভাবে ভার্মিকম্পোস্ট উৎপাদন ও ব্যবহার করা গেলে রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি কৃষিতে টেকসই ও লাভজনক উৎপাদনব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
kalprakash.com/IM