রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬ | ২৩ কার্তিক, ১৪৩৩ | ২৭ জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | বিকাল ৫:২০:৫৫
শিরোনাম
● বাকেরগঞ্জে জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● বিচার বিভাগে আর্থিক দুর্নীতির পাশাপাশি বুদ্ধিবৃত্তিক অসততাও বিবেচনায় নিতে হবে: আইনমন্ত্রী ● ‘জেন-জি ক্ষেপে গেলে বিপদ আছে’ মন্তব্যে ট্রাইব্যুনালে উত্তেজনা ● সঠিক তথ্য ছাড়া স্বচ্ছতা নিশ্চিত সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী ● মাটিরাঙ্গায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত ● এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন: ফারুক আহমেদ ● সুগন্ধি চালের উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের প্রণোদনা দেবে সরকার ● মাটিরাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত ● ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক হলেন মিজানুর রহমান রাজ ● ● বাকেরগঞ্জে জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● বিচার বিভাগে আর্থিক দুর্নীতির পাশাপাশি বুদ্ধিবৃত্তিক অসততাও বিবেচনায় নিতে হবে: আইনমন্ত্রী ● ‘জেন-জি ক্ষেপে গেলে বিপদ আছে’ মন্তব্যে ট্রাইব্যুনালে উত্তেজনা ● সঠিক তথ্য ছাড়া স্বচ্ছতা নিশ্চিত সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী ● মাটিরাঙ্গায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত ● এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন: ফারুক আহমেদ ● সুগন্ধি চালের উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের প্রণোদনা দেবে সরকার ● মাটিরাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত ● ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক হলেন মিজানুর রহমান রাজ ●

আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুলের রিমান্ড

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৬
শেয়ার: mail
আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুলের রিমান্ড

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এহসানুল ইসলামের আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী আসামিদের রিমান্ডের আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষ থেকে জামিনের আবেদন করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং মাকছুদা ইসলামের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

তদন্তের স্বার্থে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে করা আবেদনে রাষ্ট্রপক্ষ পাঁচটি কারণ উল্লেখ করে।

একই বাসায় থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখা:
মরিয়ম ফাঁস লাগিয়ে মারা যাওয়ার সময় গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলাম একই বাসায় ছিলেন। ওই সময় তাদের কোনো প্রভাব বা ভূমিকা ছিল কি না, তা উদঘাটনে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আত্মহত্যায় প্ররোচনা বা মানসিক চাপের অভিযোগ:
মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, উসকানি, মানসিক চাপ, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা অন্য কোনোভাবে আত্মহত্যায় সহায়তা করা হয়েছিল কি না—এ বিষয়ে আসামিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে চায় পুলিশ।

পলাতক আসামি ওবায়দুরের ভূমিকা:
মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি ওবায়দুর রহমানের ভূমিকা সম্পর্কেও জানতে চায় তদন্তকারীরা। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তার অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের বিষয়টিও রিমান্ড আবেদনের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অজ্ঞাত আসামিদের শনাক্ত:
মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় অজ্ঞাতনামা অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, থাকলে তাদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে।

ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন:
মরিয়মের মৃত্যুর পেছনের প্রকৃত ঘটনা ও কারণ জানতে এবং মামলার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই পাঁচটি কারণ দেখিয়ে মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে আসামিদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। পরে আদালত গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং মাকছুদা ইসলামের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে সোমবার দুপুর ২টা ২২ মিনিটে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়।

এদিন শেরেবাংলা নগর থানায় মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করেন।

মামলা দায়েরের পর শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুদ্দোহা সরকার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে আদালতে আসামিদের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত জুনে ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী মরিয়মের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়। তিনি শেরেবাংলা নগর থানার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ সংলগ্ন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে থাকতেন। একই বাসায় তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামও থাকতেন।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নজরুল ও মাকছুদা মরিয়মকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। মরিয়ম বিভিন্ন সময়ে মুঠোফোনে তার পরিবারের কাছে এসব নির্যাতনের কথা জানিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নজরুল ইসলাম ফোন করে মরিয়মের বাবাকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। পরে তিনি মরিয়মের খালা সুফিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাসায় গিয়ে লোকজনের ভিড় দেখতে পান।

তখন কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। জানালা দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মরিয়মকে ঝুলতে দেখা যায়। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে গণপূর্ত বিভাগের কর্মী সাইদুল ইসলাম সাবল দিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

মরিয়মের বিছানা থেকে একটি হাতে লেখা চিঠিও উদ্ধার করা হয়। সেখানে বিশ্বাসভঙ্গ, মানসিক কষ্ট ও সম্পর্কের টানাপোড়েনের কথা লেখা ছিল বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবারের অভিযোগ, গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানের প্ররোচনায় মরিয়মের বিয়ে হয়েছিল। পরে নজরুল ও মাকছুদার কথিত নির্যাতন এবং আসামিদের প্ররোচনা সহ্য করতে না পেরে মরিয়ম আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেছে পরিবার।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তাধীন। পুলিশ ঘটনাস্থলে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের পর মরিয়মের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুলের রিমান্ড

বিস্তারিত কমেন্টে