সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর স্বজনদের অভিযোগে দাম্পত্য জীবনের নানা টানাপোড়েনের তথ্য উঠে এসেছে। পরিবারের দাবি, বিয়ের পর স্বামী গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মরিয়মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন।
মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহর করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত জুনে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ের পর মরিয়ম তাঁর স্বামী ও প্রথম স্ত্রী মাকছুদার সঙ্গে ন্যাম ভবনের বাসায় বসবাস করছিলেন। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো বলে মরিয়ম বিভিন্ন সময়ে পরিবারের সদস্যদের ফোনে জানিয়েছিলেন।
পরিবারের অভিযোগ, এ ধরনের নির্যাতন ও আসামিদের প্ররোচনার কারণেই মরিয়ম আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। এ ঘটনায় গাজী নজরুল ইসলাম, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করা হয়েছে। পরে পুলিশ গাজী নজরুল ও মাকছুদাকে গ্রেপ্তার করে।
এদিকে মরিয়মের মৃত্যুর আগে লেখা কয়েকটি চিঠি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসব লেখায় ভালোবাসা, অভিমান ও আত্মসম্মানের বিষয় উঠে এসেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। চিঠিগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে।
মরিয়মের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং তাঁর সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হয়েছিল, তা এখন তদন্তের বিষয়। পরিবারের অভিযোগের পাশাপাশি মামলার তদন্ত ও ফরেনসিক প্রতিবেদনের পরই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
kalprakash.com/IM