শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬ | ৬ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | রাত ২:২৩:৫৮

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচন: নিরাপত্তা পরিষদে দ্বিতীয় অনানুষ্ঠানিক ভোট

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৯
শেয়ার: mail
জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচন: নিরাপত্তা পরিষদে দ্বিতীয় অনানুষ্ঠানিক ভোট

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘের সবচেয়ে প্রভাবশালী সংস্থা নিরাপত্তা পরিষদ শুক্রবার (২১ আগস্ট) পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় দফা অনানুষ্ঠানিক ভোটের আয়োজন করতে যাচ্ছে। ক্রমবর্ধমান প্রার্থীদের মধ্যে কার প্রতি কতটা সমর্থন রয়েছে, তা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যেই এ ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। খবর এএফপির।

গত মাসে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার গোপন ভোটে কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান সবচেয়ে এগিয়ে ছিলেন। ওই পর্বে ভেটো ক্ষমতাসম্পন্ন পাঁচ স্থায়ী সদস্যসহ নিরাপত্তা পরিষদের ১৫টি সদস্য দেশ প্রার্থীদের বিষয়ে গোপনে নিজেদের মতামত জানায়।

এবারের প্রার্থীদের মধ্যে আরও রয়েছেন জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রধান ও আর্জেন্টিনার নাগরিক রাফায়েল গ্রোসি, চিলির মিশেল ব্যাচেলেট, ইকুয়েডরের মারিয়া ফার্নান্দা এস্পিনোসা, গায়ানার ক্যারোলিন রদ্রিগেজ-বির্কেট, উগান্ডার ওলার ওতুনু এবং সেনেগালের ম্যাকি সাল।

প্রথম দফার ভোটের পর ইকুয়েডরের ইভোনে এ-বাকিও প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। তিনি আগামী ৩১ ডিসেম্বর দ্বিতীয় মেয়াদ পূর্ণ করতে যাওয়া বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার দৌড়ে অংশ নিচ্ছেন।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষক ড্যানিয়েল ফোর্তি জানান, প্রথম দফার ভোট মহাসচিব নির্বাচনের প্রাথমিক চিত্র তুলে ধরেছে। দ্বিতীয় দফার ভোট থেকে প্রতিযোগিতাটি কোন দিকে এগোচ্ছে, সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে। জুলাইয়ের তুলনায় এবার প্রার্থীদের অবস্থানে পরিবর্তন আসতে পারে। প্রাথমিকভাবে এগিয়ে থাকা প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারছেন কি না, কূটনীতিকরা সেদিকেই নজর রাখছেন। তবে শুক্রবারের ভোটের পরই কোনো প্রার্থী চূড়ান্ত ব্যবধানে এগিয়ে যাবেন, এমন সম্ভাবনা কম।

তিনি আরও বলেন, স্থায়ী পাঁচ দেশ—যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র—সম্ভবত পরবর্তী পর্যায় পর্যন্ত নিজেদের চূড়ান্ত অবস্থান স্পষ্ট করবে না। এ ছাড়া নতুন প্রার্থীর যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

জাতিসংঘে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভাসিলি নেবেনজিয়া জানান, কোনো প্রার্থীকে নিয়ে অচলাবস্থা তৈরি হলে শেষ মুহূর্তে নতুন কাউকে প্রতিযোগিতায় দেখা যেতে পারে।

নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে কোনো প্রার্থী কমপক্ষে ৯টি ইতিবাচক সমর্থন পেলেও স্থায়ী পাঁচ সদস্যের যেকোনো একটির ভেটো প্রার্থিতা বাতিলের জন্য যথেষ্ট। স্থায়ী সদস্যদের মতপার্থক্য কাটিয়ে কোনো প্রার্থী নিরাপত্তা পরিষদের বাধা অতিক্রম করতে পারলে তাঁর নাম সাধারণ পরিষদে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

১৯৮০-এর দশকে ভেটোসংক্রান্ত অচলাবস্থা নিরসনে এই অনানুষ্ঠানিক ভোটিং পদ্ধতি চালু হয়। স্বচ্ছতা নিয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচনা সত্ত্বেও দীর্ঘকাল ধরে এ পদ্ধতিতেই মহাসচিব নির্বাচনের প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়ে আসছে।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬ | Globe kalprakash.com

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচন: নিরাপত্তা পরিষদে দ্বিতীয় অনানুষ্ঠানিক ভোট

বিস্তারিত কমেন্টে