যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হারের পাশাপাশি কমেছে শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। অন্যদিকে গত বছরের তুলনায় আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা।
সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই নেতিবাচক চিত্র উঠে এসেছে।
বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এবার যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২ হাজার ৫৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। যেখানে গত বছর শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৭৫টি। বিপরীতে এবার ১১টি প্রতিষ্ঠানের একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি; যেখানে গত বছর শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠান ছিল মাত্র দুটি।
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম হোসেন আলী শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের এই সংখ্যার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তথ্য বিশ্লেষণে জানা যায়, শতভাগ অকৃতকার্য ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যশোরের ৪টি, সাতক্ষীরার ৪টি, খুলনার ২টি এবং বাগেরহাটের ১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।
ফেল করা প্রতিষ্ঠানের তালিকা অনুযায়ী—যশোরের মণিরামপুর উপজেলার হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় (১ জন পরীক্ষার্থী), চান্দুয়া সমসকাটি গার্লস হাইস্কুল (৩ জন), শার্শা উপজেলার সাড়াতলা জুনিয়র গার্লস হাইস্কুল (২ জন) এবং মুক্তিযোদ্ধা জিকেজিএস সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল (১ জন)।
সাতক্ষীরার প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাতক্ষীরা নাইসা সেকেন্ডারি স্কুল (৭ জন), আশাশুনি উপজেলার গোদারা সেকেন্ডারি স্কুল (৪ জন), দেবহাটা উপজেলার বাবুরাবাদ ধাপুখালি সেকেন্ডারি স্কুল (৪ জন) এবং শ্যামনগর উপজেলার সাহেবখালি সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪ জন)।
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কাতেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪ জন) ও খালিশপুরের আসমা সরওয়ার ইসলামিক উচ্চ বিদ্যালয় (৪ জন) এবং বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ডি এন একতা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের (২ জন) কোনো পরীক্ষার্থীই কৃতকার্য হতে পারেনি।
kalprakash.com/IM