আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বৃহস্পতিবার কিছুটা কমেছে। আগের দিনের বড় দরবৃদ্ধির পর মূল্যবান এই ধাতুটির দামে পতন দেখা দিলেও এর আগে দাম দুই মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার গ্রিনিচ মান সময় ০৬:০৪ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৮৭ দশমিক ৬৩ ডলারে নেমে আসে। এর আগে দাম ৪ হাজার ৫২৫ দশমিক ৭৯ ডলারে উঠেছিল, যা গত ২ জুনের পর সর্বোচ্চ। বুধবার স্বর্ণের দাম ৪ শতাংশের বেশি বেড়েছিল।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার প্রায় অপরিবর্তিত থেকে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৪৫ দশমিক ৬০ ডলারে লেনদেন হচ্ছিল।
স্বর্ণের সাম্প্রতিক উত্থানের পেছনে অন্যতম কারণ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের আকস্মিক সিদ্ধান্ত। দীর্ঘমেয়াদি সরকারি বন্ডের তারল্য সহায়তায় বাইব্যাক কার্যক্রম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পর মার্কিন ট্রেজারি ইল্ড কমে যায় এবং ডলারের মানও দুর্বল হয়। এতে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ বেড়ে যায়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৪০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ ডলারের ওপরে অবস্থান ধরে রাখতে পারলে ঊর্ধ্বমুখী গতি অব্যাহত থাকতে পারে। তবে সাম্প্রতিক বড় উত্থানের পর কিছুটা মুনাফা তুলে নেওয়াকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন ব্যবসায়ীরা।
তবে উচ্চ মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তা স্বর্ণের বাজারে চাপ তৈরি করতে পারে। ফেডের সর্বশেষ বৈঠকের কার্যবিবরণীতে কয়েকজন নীতিনির্ধারক সুদের হার বাড়ানোর পক্ষেও অবস্থান নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
সূত্র: রয়টার্স
kalprakash.com/IM