টানা দুই সেশনে বৃদ্ধির পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে সংশোধন এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংকটের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতির নতুন উদ্বেগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড শক্তিশালী হওয়ায় ধাতুটির দামে এই নিম্নমুখী চাপ তৈরি হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৯২ দশমিক ৮৬ ডলারে নেমে আসে। একই সঙ্গে ডিসেম্বর ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার্সের দাম দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৪৯ দশমিক ৫০ ডলারে স্থিতি পায়।
বাজার বিশ্লেষক রস নরম্যান জানান, সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধির পর বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং মার্কিন ডলারের পাশাপাশি সরকারি ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড বেড়ে যাওয়াই দাম কমার মূল কারণ। সুদবিহীন সম্পদ হওয়ায় উচ্চ সুদহার ও বন্ড ইল্ড বৃদ্ধির পরিবেশে স্বর্ণের চাহিদা কিছুটা হ্রাস পায়।
অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট রুপার দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৫ দশমিক ০৮ ডলার, প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ১ হাজার ৭৪৫ দশমিক ৫৮ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩১৮ দশমিক ২৯ ডলারে বেচাকেনা হয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
kalprakash.com/IM