শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬ | ২৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২৩ সফর, ১৪৪৮ | দুপুর ২:৩৩:৫৩

জবিতে সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে দেখতে গেলেন উপাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৪
শেয়ার: mail
জবিতে সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে দেখতে গেলেন উপাচার্য

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) গত মঙ্গলবার জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্লাকার্ড প্রদর্শন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের তিন দিন পর আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে গিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে হাসপাতালে পৌঁছে তিনি চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসাসেবার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় উপস্থিত দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের সাথে কথা বলে আহতদের সর্বোচ্চ ও যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জরুরি নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন আফসোস প্রকাশ করে বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মতো ঐতিহাসিক ও গৌরবোজ্জ্বল একটি স্মারক অনুষ্ঠানে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষ কোনোভাবেই কাম্য ছিল না। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন এ ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকল সংগঠনকে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।” তিনি আহত শিক্ষার্থীদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং চিকিৎসার সমস্ত ব্যয়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বহনের আশ্বাস দেন।

পরিদর্শনকালে জবি উপাচার্যের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন এবং পরিবহন প্রশাসক ড. তারেক বিন আতিক।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উদযাপনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান চলাকালীন একাধিক দাবিতে ব্যানার ও প্লাকার্ড নিয়ে অডিটোরিয়ামে প্রবেশের চেষ্টা চালান সাধারণ শিক্ষার্থীদের একাংশ। একে ঘিরে অডিটোরিয়ামের বাইরে দফায় দফায় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও সংঘাতের সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে জকসু প্রতিনিধি, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি, ছাত্র ফ্রন্টের নেতা-কর্মী, সংবাদ সংগ্রাহক ও সাধারণ শিক্ষার্থীসহ অন্তত বেশ কয়েকজন আহত হন।

ইতোমধ্যে সংঘটিত অপ্রীতিকর ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও দায়ীদের চিহ্নিত করতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত প্রতিবেদন জমাদানের পরপরই দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward