সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬ | ১৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৮ সফর, ১৪৪৮ | রাত ১০:৩৮:৩০

দুদকের মামলায় সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক, স্ত্রী ও বাবার কারাদণ্ড

কাল প্রকাশ
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ৪:০১
শেয়ার: mail
দুদকের মামলায় সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক, স্ত্রী ও বাবার কারাদণ্ড

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক মনিরুল ইসলামকে পৃথক দুটি মামলায় পাঁচ বছর করে মোট ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার বাবা ও স্ত্রীকে পৃথকভাবে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মোট ১ কোটি ২৪ লাখ টাকার অর্থদণ্ড এবং সংশ্লিষ্ট স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা পৃথক দুটি মামলার রায় ঘোষণা করেন পাবনার স্পেশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু সালেহ মো. সালাহউদ্দিন খাঁ।

মামলার বাদী ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, পাবনার উপপরিচালক শহীদুল আলম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার চর দমদমা এলাকার বাসিন্দা ও কামারখন্দ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম, তার বাবা শহিদুল ইসলাম প্রামাণিক এবং স্ত্রী ডলি বেগম। রায় ঘোষণার সময় তারা পলাতক ছিলেন।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, মনিরুল ইসলাম অবৈধভাবে অর্জিত ৫৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে তার বাবা শহিদুল ইসলাম প্রামাণিকের নামে একটি বাড়ি নির্মাণ করেন। এছাড়া তার স্ত্রী ডলি বেগমের নামে ৬০ লাখ টাকার স্থায়ী আমানত (এফডিআর) করা হয়। অভিযোগের পর দুদক অনুসন্ধান ও তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ১৯ ডিসেম্বর পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে মনিরুল ইসলামকে পৃথক দুটি মামলায় পাঁচ বছর করে মোট ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাকে ৫৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ৬০ লাখ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

এ ছাড়া তার বাবা শহিদুল ইসলাম প্রামাণিক ও স্ত্রী ডলি বেগমকে পৃথকভাবে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পাবনার পিপি অ্যাডভোকেট মলয় কুমার দাস। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম পলাশ।

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward