বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ৮ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১১ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | দুপুর ২:০৮:৪৮
শিরোনাম
কদমতলা ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের এক বছরের সচিত্র প্রতিবেদন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর পিরোজপুরের নতুন এসপি তালেবুর রহমান, দায়িত্ব নিলেন আজ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে কমিটি করবে সরকার ইরানকে ধ্বংসের হুমকি ‘যুদ্ধকালীন ভাষা’: ইসমাইল বাঘাই গ্রেডভেদে বিজিবি সদস্যদের সীমান্ত ভাতা পুনর্নির্ধারণ আজ রাতে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন তারেক রহমান গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ গতানুগতিক ছক ভেঙে ভিন্ন চরিত্রে মধুমিতা সরকার সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে চালকদের প্রতি পুলিশের সতর্কবার্তা হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী কদমতলা ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের এক বছরের সচিত্র প্রতিবেদন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর পিরোজপুরের নতুন এসপি তালেবুর রহমান, দায়িত্ব নিলেন আজ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে কমিটি করবে সরকার ইরানকে ধ্বংসের হুমকি ‘যুদ্ধকালীন ভাষা’: ইসমাইল বাঘাই গ্রেডভেদে বিজিবি সদস্যদের সীমান্ত ভাতা পুনর্নির্ধারণ আজ রাতে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন তারেক রহমান গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ গতানুগতিক ছক ভেঙে ভিন্ন চরিত্রে মধুমিতা সরকার সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে চালকদের প্রতি পুলিশের সতর্কবার্তা হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী

ছাড়পত্র ছাড়াই টায়ার পোড়ানোর কারখানা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ২:৫৩
শেয়ার: mail
ছাড়পত্র ছাড়াই টায়ার পোড়ানোর কারখানা

অনলাইন ডেস্ক। ছবি: সংগৃহীত

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে টায়ার পুড়িয়ে তেল উৎপাদনের একটি কারখানা পরিচালিত হচ্ছে। এতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের ধল্লা মধ্যপাড়া এলাকায় ‘গ্রিন এনার্জি ইন্ডাস্ট্রিজ’ নামে প্রতিষ্ঠানটি পুরোনো টায়ার পুড়িয়ে তেল উৎপাদন করছে। কারখানায় উৎপাদিত তেল ‘কিং ওয়েল’ নামে বাজারজাত করা হয়। প্রতিদিন শত শত কেজি পরিত্যক্ত টায়ার পোড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে দেখা যায়, কারখানার ভেতরে বড় দুটি চুল্লিতে টায়ার পোড়ানো হচ্ছে। চিমনি দিয়ে নির্গত ঘন কালো ধোঁয়া আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে তীব্র দুর্গন্ধ। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন রাত ৯টা থেকে ভোররাত পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলে।

স্থানীয়রা জানান, টায়ার পোড়াতে কাঠ ব্যবহার করায় অতিরিক্ত ধোঁয়া ও তাপ উৎপন্ন হয়। এসব ধোঁয়া ফসলি জমি, গাছপালা ও বসতবাড়ির ওপর প্রভাব ফেলছে। ফলে গাছের পাতা শুকিয়ে যাচ্ছে, ফসলের ক্ষতি হচ্ছে এবং জমির উর্বরতা কমে যাচ্ছে।

এছাড়া কারখানাটি পরিচালনায় স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীর সহযোগিতা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় বাসিন্দা হাজী হাবিবুর রহমান বলেন, “রাত ৯টার পর পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, দীর্ঘমেয়াদি কাশি, চোখ জ্বালাপোড়া এবং ত্বকের সমস্যার প্রকোপ বেড়েছে। অনেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।”

আরেক বাসিন্দা আওলাদ হোসেন বলেন, “এই কারখানার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়ছে।”

কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, “ধোঁয়ার কারণে গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফসলের জমিরও ক্ষতি হচ্ছে। আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।”

পরিবেশকর্মী আবু সায়েম বলেন, “কারখানাটির পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই। বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও নেই। বিষাক্ত গ্যাস ও বর্জ্য সরাসরি পরিবেশে নিঃসরণ করা হচ্ছে।”

প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার মো. তানজিল বলেন, “উত্তরবঙ্গের মোজাফফর হোসেন প্রায় এক বছর ধরে কারখানাটি পরিচালনা করছেন। ট্রেড লাইসেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের কাগজপত্র রয়েছে। তবে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র এখনো নেওয়া হয়নি।”

এ বিষয়ে সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুন্নাহার পপি বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই। জনবসতিপূর্ণ এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া এ ধরনের কারখানা পরিচালিত হতে পারে না। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

kalprakash.com/SAS

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ | Globe kalprakash.com

ছাড়পত্র ছাড়াই টায়ার পোড়ানোর কারখানা

বিস্তারিত কমেন্টে