পাবনার চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া এলাকায় ঢাকাগামী আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি বৃদ্ধি এবং আসন সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা।
বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে তিনি এ দাবি উত্থাপন করেন।
এতে যাত্রীদের ভোগান্তি ও সীমাহীন কষ্ট পোহাতে হয়। বিষয়টি বিবেচনা করে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা এ রুটে ঢাকাগামী সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি বৃদ্ধি ও অধিক আসন বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য বলেন, ‘কৃষি, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যে চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এসব প্রয়োজনে এ এলাকার মানুষকে নিয়মিত ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে যাতায়াত করতে হয়। রেলপথ এ অঞ্চলের মানুষের ঢাকা যাতায়াতের প্রধান ও সাশ্রয়ী মাধ্যম। কিন্তু ট্রেনে আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তাই এ রুটে চলাচলকারী সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি ও আসন সংখ্যা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।’
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ব্রিটিশ আমল থেকে যাত্রী পরিবহনে ভাঙ্গুড়া উপজেলার বড়াল ব্রিজ ও চাটমোহর রেলওয়ে স্টেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ঢাকা যাতায়াতে জেলার ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর ও চাটমোহর উপজেলার আংশিক এলাকার জনগণ বড়াল ব্রিজ স্টেশন ব্যবহার করেন। অন্যদিকে পাবনা জেলা সদর, আটঘরিয়া ও চাটমোহর উপজেলার যাত্রীরা ঢাকা যাতায়াতে চাটমোহর স্টেশন ব্যবহার করেন।
বর্তমানে দুটি স্টেশনে ঢাকাগামী পাঁচটি ট্রেনের যাত্রাবিরতি রয়েছে। বড়াল ব্রিজ স্টেশনে পাঁচটি ট্রেনে প্রায় ১৮০টি এবং চাটমোহর স্টেশনে প্রায় ২৮০টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। কিন্তু এ দুটি স্টেশন থেকে প্রতিদিন বরাদ্দের তুলনায় চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি যাত্রী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করেন। ফলে অধিকাংশ যাত্রীকে আসনবিহীন টিকিট নিয়ে যাত্রা করতে হয়।