মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬ | ১৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৯ সফর, ১৪৪৮ | রাত ৩:২২:৪২

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে কুবিতে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল

কাল প্রকাশ
প্রকাশ: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪৯
শেয়ার: mail
জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে কুবিতে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) জুমার নামাজের পর জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরামের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে সকালে পবিত্র কোরআন খতমের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে জুমার নামাজ শেষে জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম, কুবি ইউট্যাব-এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক মো. শাহাদাত হোসেন, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

দোয়া মাহফিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম. এম. শরীফুল করীম বলেন, ‘৪৫ বছর পরও মানুষ জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে। তাঁর ঐতিহাসিক জানাজাই প্রমাণ করে মানুষের কাছে তিনি কতটা সম্মানিত ছিলেন। নিজ কর্ম ও অবদানের জন্যই তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন।’

এ সময় তিনি সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে বলেন, অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে তিনি পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। এমন সম্মান নিয়ে বিদায় নেওয়ার নজির ইতিহাসে বিরল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, জিয়াউর রহমান দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তাঁর স্ত্রী খালেদা জিয়া তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তাঁদের ছেলে তারেক রহমান বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রী। একই পরিবার থেকে তিনজনের গণতান্ত্রিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পাওয়ার এমন নজির বিশ্বে আর কোথাও আছে বলে মনে হয় না।

কুবি ইউট্যাব-এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘১৯৭১ সালে নিজের জীবন ও পরিবারকে চরম নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রেখে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছিলেন। সে সময় সেনাবাহিনীতে তাঁর ঊর্ধ্বতন আরও দুজন কর্মকর্তা থাকলেও তাঁরা এই ঝুঁকি নেওয়ার সাহস করেননি। ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষের কল্যাণে এবং রাষ্ট্রের উন্নয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।’

kalprakash.com/SAS

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward