শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬ | ৬ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | ভোর ৫:০৭:২০

বন্দর ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতায় বাড়ছে পরিবহন ব্যয়, সংস্কারের উদ্যোগের কথা জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

কাল প্রকাশ
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৬:৪৮
শেয়ার: mail
বন্দর ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতায় বাড়ছে পরিবহন ব্যয়, সংস্কারের উদ্যোগের কথা জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার ঘাটতির কারণে পণ্য পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ঢাকা আন্তর্জাতিক প্যাকেজিং এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ব্যবসা পরিচালনা সহজ করতে সরকার বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। বর্তমানে একজন উদ্যোক্তাকে ব্যবসা শুরু করতে ২৫ থেকে ২৬ ধরনের অনুমোদন ও লাইসেন্স নিতে হয়, যা সময় ও ব্যয় দুটোই বাড়ায়। এই জটিলতা কমাতে প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করলেই প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া যাবে, ফলে উদ্যোক্তারা দ্রুত ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

পরিবহন ব্যয় প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের লজিস্টিক ও পরিবহন খরচ মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ১৬ শতাংশ, যেখানে বিশ্ব গড় প্রায় ১০ শতাংশ। বন্দরে পণ্য খালাসে দেরি, ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির অভাবে এই ব্যয় বাড়ছে, যা সরাসরি রপ্তানি ও আমদানি বাণিজ্যে প্রভাব ফেলছে।

বন্দর ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে একটি ডেনমার্কের প্রতিষ্ঠান কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় কাজ শুরু করেছে। ভবিষ্যতে আরও বিদেশি প্রতিষ্ঠান যুক্ত করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পথে রয়েছে, তাই টেকসই সংস্কার ছাড়া এগোনো সম্ভব নয়।

রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রসঙ্গে তিনি জানান, বহু প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে অলস ও লোকসানি অবস্থায় রয়েছে। এসব সম্পদ কাজে লাগিয়ে নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ধাপে ধাপে বেসরকারি খাতে উন্মুক্ত করা হচ্ছে।

চিনিকল ও শিল্পপার্ক নিয়ে তিনি বলেন, এসব স্থানে আধুনিক শিল্প ও বহুমুখী প্রকল্প গড়ে তোলা গেলে বড় আকারে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব।

প্যাকেজিং শিল্পকে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার নীতিগত সহায়তা দেবে, তবে উদ্যোক্তাদেরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

kalprakash.com/SS

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ | Globe kalprakash.com

বন্দর ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতায় বাড়ছে পরিবহন ব্যয়, সংস্কারের উদ্যোগের কথা জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

বিস্তারিত কমেন্টে