বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএমএ) দেশীয় সিমেন্ট খাতের উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ কর সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। বুধবার তারা এনবিআরের কাছে প্রাক-বাজেট প্রস্তাব জমা দিয়েছে।
বিসিএমএ প্রস্তাব করেছে ক্লিংকারের ওপর শুল্ক কমিয়ে প্রতি মেট্রিক টনে ৫০০ টাকা করার এবং কাঁচামালের ওপর অগ্রিম আয়কর ০.৫০ শতাংশে নেমে আসার সুযোগ দেওয়া। আমদানিকৃত কাঁচামালের ওপর অগ্রিম কর ১ শতাংশ করার, লাইমস্টোনের ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহারের, এবং সিমেন্ট উৎপাদন যন্ত্রপাতির খুচরা যন্ত্রাংশের শুল্ক ১ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সংস্থাটি রপ্তানিকৃত সিমেন্টের জন্য ডিউটি ড্র-ব্যাক প্রক্রিয়া সহজ করতে ১৯৯১ সালের ভ্যাট আইনের বিধান পুনর্বহালের আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া প্রতি টন ভিত্তিতে অভিন্ন ভ্যাট ব্যবস্থা চালু করা হলে প্রশাসনিক জটিলতা কমবে।
বিসিএমএ সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক জানান, শিল্পটির স্থাপিত উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১০০ মিলিয়ন মেট্রিক টন হলেও গত বছর উৎপাদন মাত্র ৪০ মিলিয়ন মেট্রিক টন হয়েছে। তিনি বলেন, যৌক্তিক কর কাঠামো বাস্তবায়িত হলে শিল্প চলমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে এবং সিমেন্টের দামও কমে অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
kalprakash.com/SS
বাণিজ্য ডেস্ক 

























