যুক্তরাজ্যের নৌবাহিনী যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত নয় বলে স্বীকার করেছেন দেশের নৌপ্রধান, ফার্স্ট সি লর্ড জেনারেল স্যার গুইন জেনকিন্স। তিনি বলেন, “সফলভাবে যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা অর্জনের আগে আমাদের এখনও অনেক কাজ বাকি রয়েছে।”
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ জানাচ্ছে, এই মন্তব্য এসেছে এমন সময়ে, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সংঘাত জ্বালানি সংকট ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করছে। নৌপ্রধানের কথায়, নৌবাহিনী প্রয়োজন হলে যুদ্ধ করতে পারবে, তবে প্রস্তুতি পর্যায় এখনও সম্পূর্ণ নয়।
ইরান সংঘাতের শুরুতে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর ছয়টি ডেস্ট্রয়ারের মধ্যে চারটি মেরামতের কারণে অচল ছিল। এ সময় ন্যাটোর দায়িত্ব পালনের জন্য জার্মানি থেকেও যুদ্ধজাহাজ ধার নিতে হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও যুক্তরাজ্যকে পর্যাপ্ত সহায়তা না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
জেনারেল স্যার গুইন বলেছেন, নৌবাহিনী প্রয়োজন হলে যুদ্ধ করবে, কিন্তু সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আরও কাজ করতে হবে। যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের ওপর চাপ বেড়েছে, তবে চ্যান্সেলর র্যাচেল রিভস অতিরিক্ত ব্যয়ের বিরোধিতা করছেন।
এ অবস্থায়, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে ৫ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৮ ডলারে পৌঁছেছে। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন, যুদ্ধ দীর্ঘ হলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মন্দার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
যুক্তরাজ্য ইতিমধ্যেই উপসাগরীয় সংকটে প্রায় ২ হাজার সেনা প্রস্তুত রেখেছে, যার মধ্যে ১ হাজার মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছে। তেলের সরবরাহ ও নৌপথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দেশটি বৈশ্বিক চাপের মুখে রয়েছে।
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 




















