জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেদখল হয়ে যাওয়া হলগুলো পুনরুদ্ধারের দাবিতে ব্যানারসহ এক বিশাল র্যালি নিয়ে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) হলগুলোর সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন করেন শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সমাবেশে তারা আগামী ১০ দিনের মধ্যে অবৈধ দখলদারদের হল ত্যাগের সময়সীমা বেঁধে দেন।
শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট ও মানবিক দাবি তুলে ধরে হলের সামনে অবস্থান নিয়ে জবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সর্দার বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে আমাদের এই হলগুলো বেদখল হয়ে যায়। পুরান ঢাকার অত্যন্ত ঘিঞ্জি পরিবেশে জবি শিক্ষার্থীদের মেসে থাকতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত অমানবিক। এমনকি অনেক শিক্ষার্থীর মেসে থাকার মতো ন্যূনতম অর্থও নেই। শিক্ষার্থীদের এই কষ্ট লাঘবে আমরা সব বেদখলকৃত হল পুনরুদ্ধার করতে বদ্ধপরিকর।
আইনি জটিলতা ও জালিয়াতি প্রসঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, বিগত সময়ে ভুয়া কাগজপত্র ও খতিয়ান জালিয়াতির মাধ্যমে এসব হল দখলে রাখা হয়েছে। যারা হলগুলোর বিরুদ্ধে ভুয়া মামলা করে দখল ধরে রেখেছে, তাদের মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে ভুয়া দলিল ও অবৈধ দখলের অভিযোগে পাল্টা মামলা দায়ের করা হবে। নির্দিষ্ট সময়ের পর কোনো অপশক্তির কাছে মাথা নত না করে দখলদারদের উচ্ছেদ করে শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত করা হবে।
হল পুনরুদ্ধারের ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে জবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদি হাসান হিমেল বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একসময়ের ১৭টি হল ফ্যাসিবাদের দোসররা দখল করে নিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে আমরা আজ ১০ দিনের সময় দিয়ে গেলাম। আমরা শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত না করা পর্যন্ত মাঠ ছাড়ব না। সময়সীমা শেষ হলে আমরা আবারও আসব এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেব।
নুশরাত জাহান মীম, জবি প্রতিনিধি 























