বাংলাদেশ ১১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo মুক্তিযুদ্ধে বাংলার নদ-নদী ও প্রকৃতি ছিল অকুতোভয় সহযোদ্ধা Logo জবি ছাত্রদলের ১০ দিনের আল্টিমেটাম: দখলকৃত হল পুনরুদ্ধারে কঠোর বার্তা Logo হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব তিথিতে লক্ষিখালীতে বারুণীস্নান ও মতুয়া মেলা Logo রক্তাক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, পারিবারিক বিরোধে হামলার অভিযোগ Logo বাগমারায় অবৈধভাবে ৬৫০ লিটার জ্বালানি মজুত, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা Logo কুবির প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা Logo মুনাফা কমে নোকিয়া ১৪ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে Logo রিজিকের বরকত বৃদ্ধির জন্য করণীয়: ইস্তিগফার, দরুদ, সদকা ও তাকওয়া Logo বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব: সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিন দিন অনলাইনে, তিন দিন সশরীরে ক্লাস Logo অবৈধ সমুদ্রপথে ইউরোপ যাত্রা: বাংলাদেশিরা মানবপাচার ও নির্যাতনের শিকার

জবি ছাত্রদলের ১০ দিনের আল্টিমেটাম: দখলকৃত হল পুনরুদ্ধারে কঠোর বার্তা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেদখল হয়ে যাওয়া হলগুলো পুনরুদ্ধারের দাবিতে ব্যানারসহ এক বিশাল র‌্যালি নিয়ে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) হলগুলোর সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন করেন শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সমাবেশে তারা আগামী ১০ দিনের মধ্যে অবৈধ দখলদারদের হল ত্যাগের সময়সীমা বেঁধে দেন।

শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট ও মানবিক দাবি তুলে ধরে হলের সামনে অবস্থান নিয়ে জবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সর্দার বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে আমাদের এই হলগুলো বেদখল হয়ে যায়। পুরান ঢাকার অত্যন্ত ঘিঞ্জি পরিবেশে জবি শিক্ষার্থীদের মেসে থাকতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত অমানবিক। এমনকি অনেক শিক্ষার্থীর মেসে থাকার মতো ন্যূনতম অর্থও নেই। শিক্ষার্থীদের এই কষ্ট লাঘবে আমরা সব বেদখলকৃত হল পুনরুদ্ধার করতে বদ্ধপরিকর।

আইনি জটিলতা ও জালিয়াতি প্রসঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, বিগত সময়ে ভুয়া কাগজপত্র ও খতিয়ান জালিয়াতির মাধ্যমে এসব হল দখলে রাখা হয়েছে। যারা হলগুলোর বিরুদ্ধে ভুয়া মামলা করে দখল ধরে রেখেছে, তাদের মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে ভুয়া দলিল ও অবৈধ দখলের অভিযোগে পাল্টা মামলা দায়ের করা হবে। নির্দিষ্ট সময়ের পর কোনো অপশক্তির কাছে মাথা নত না করে দখলদারদের উচ্ছেদ করে শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত করা হবে।

হল পুনরুদ্ধারের ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে জবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদি হাসান হিমেল বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একসময়ের ১৭টি হল ফ্যাসিবাদের দোসররা দখল করে নিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে আমরা আজ ১০ দিনের সময় দিয়ে গেলাম। আমরা শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত না করা পর্যন্ত মাঠ ছাড়ব না। সময়সীমা শেষ হলে আমরা আবারও আসব এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেব।

জনপ্রিয় সংবাদ

মুক্তিযুদ্ধে বাংলার নদ-নদী ও প্রকৃতি ছিল অকুতোভয় সহযোদ্ধা

জবি ছাত্রদলের ১০ দিনের আল্টিমেটাম: দখলকৃত হল পুনরুদ্ধারে কঠোর বার্তা

প্রকাশিত: ০৯:৪৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেদখল হয়ে যাওয়া হলগুলো পুনরুদ্ধারের দাবিতে ব্যানারসহ এক বিশাল র‌্যালি নিয়ে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) হলগুলোর সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন করেন শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সমাবেশে তারা আগামী ১০ দিনের মধ্যে অবৈধ দখলদারদের হল ত্যাগের সময়সীমা বেঁধে দেন।

শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট ও মানবিক দাবি তুলে ধরে হলের সামনে অবস্থান নিয়ে জবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সর্দার বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে আমাদের এই হলগুলো বেদখল হয়ে যায়। পুরান ঢাকার অত্যন্ত ঘিঞ্জি পরিবেশে জবি শিক্ষার্থীদের মেসে থাকতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত অমানবিক। এমনকি অনেক শিক্ষার্থীর মেসে থাকার মতো ন্যূনতম অর্থও নেই। শিক্ষার্থীদের এই কষ্ট লাঘবে আমরা সব বেদখলকৃত হল পুনরুদ্ধার করতে বদ্ধপরিকর।

আইনি জটিলতা ও জালিয়াতি প্রসঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, বিগত সময়ে ভুয়া কাগজপত্র ও খতিয়ান জালিয়াতির মাধ্যমে এসব হল দখলে রাখা হয়েছে। যারা হলগুলোর বিরুদ্ধে ভুয়া মামলা করে দখল ধরে রেখেছে, তাদের মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে ভুয়া দলিল ও অবৈধ দখলের অভিযোগে পাল্টা মামলা দায়ের করা হবে। নির্দিষ্ট সময়ের পর কোনো অপশক্তির কাছে মাথা নত না করে দখলদারদের উচ্ছেদ করে শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত করা হবে।

হল পুনরুদ্ধারের ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে জবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদি হাসান হিমেল বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একসময়ের ১৭টি হল ফ্যাসিবাদের দোসররা দখল করে নিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে আমরা আজ ১০ দিনের সময় দিয়ে গেলাম। আমরা শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত না করা পর্যন্ত মাঠ ছাড়ব না। সময়সীমা শেষ হলে আমরা আবারও আসব এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেব।