বাংলাদেশ ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo জ্বালানির দাম বাড়ায় অস্ট্রেলিয়ার দুই রাজ্যে গণপরিবহন ফ্রি Logo ইরানের হুমকির মুখে সশরীরে পাঠদান বন্ধ করল আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় Logo স্বাস্থ্যখাতে কোনো দুর্নীতি মেনে নেওয়া হবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা করল এনসিপি Logo বাতিল হতে যাচ্ছে শিক্ষকদের গ্রীষ্ম-শীতকালীন ছুটি Logo খুলনায় চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল প্রাইভেট কার, আহত ৪ Logo হুতিদের যুদ্ধে প্রবেশে শঙ্কায় বিশ্ব অর্থনীতি, ঝুঁকিতে তেল ও বাণিজ্যের প্রধান জলপথ Logo চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক হচ্ছে: আমিনুল Logo জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে আলোচনার তাগাদা বিরোধী দলের Logo ফ্যাসিস্ট সরকারের দুর্নীতির কারণে গ্রামাঞ্চলের সড়কের খুব বেশি উন্নয়ন হয়নি: সংসদে মির্জা ফখরুল

বাতিল হতে যাচ্ছে শিক্ষকদের গ্রীষ্ম-শীতকালীন ছুটি

সরকারি কলেজের বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তাদের জন্য প্রচলিত দীর্ঘদিনের ‘অবকাশ’ বা ভ্যাকেশন প্রথা বিলুপ্তির পথে। শিক্ষা ক্যাডারের এই কর্মকর্তাদের পদগুলোকে এখন থেকে ‘নন-ভ্যাকেশন’ হিসেবে গণ্য করতে অর্থ বিভাগকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর ফলে সরকারি কলেজের শিক্ষকরা আর দীর্ঘ গ্রীষ্মকালীন বা শীতকালীন ছুটি ভোগ করতে পারবেন না।

রোববার (২৯ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক স্মারকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষকরা এখন থেকে অন্যান্য সাধারণ সরকারি কর্মকর্তাদের মতো বছরে নির্ধারিত ২০ দিনের অর্জিত ছুটির আওতায় আসবেন।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের দীর্ঘ অঘোষিত ছুটি কমিয়ে তাদের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজে আরও গতিশীল রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এতদিন গ্রীষ্ম ও শীতকালীন নির্ধারিত ছুটির বাইরেও কলেজ বন্ধ থাকলে শিক্ষকরা এক ধরনের বিশেষ সুবিধা ভোগ করতেন, যা এখন থেকে বন্ধ হতে যাচ্ছে।

স্মারকে উল্লেখ করা হয়, ১৯৫৯ সালের ছুটি বিধিমালা অনুযায়ী অবকাশকালীন কর্মচারীদের ছুটির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই সংজ্ঞা পুনর্বিবেচনার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় আগেই পরামর্শ দিয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় জনপ্রশাসন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় বিধি সংশোধনের উদ্যোগ নেয়।

প্রস্তাবনাটি পর্যালোচনায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শিক্ষা খাতকে সরাসরি ‘নন-ভ্যাকেশন’ বিভাগ ঘোষণা করা কিছুটা জটিল হলেও বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ও কারিগরি শিক্ষা ক্যাডারের সদস্যদের শ্রান্তি বিনোদন ছুটি এবং গড় বেতনে অর্জিত ছুটির বিষয়টি সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। মূলত শিক্ষকদের অন্যান্য সরকারি সুবিধার সমপর্যায়ে আনতেই এই প্রশাসনিক সংস্কার করা হচ্ছে।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানির দাম বাড়ায় অস্ট্রেলিয়ার দুই রাজ্যে গণপরিবহন ফ্রি

বাতিল হতে যাচ্ছে শিক্ষকদের গ্রীষ্ম-শীতকালীন ছুটি

প্রকাশিত: ১০:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

সরকারি কলেজের বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তাদের জন্য প্রচলিত দীর্ঘদিনের ‘অবকাশ’ বা ভ্যাকেশন প্রথা বিলুপ্তির পথে। শিক্ষা ক্যাডারের এই কর্মকর্তাদের পদগুলোকে এখন থেকে ‘নন-ভ্যাকেশন’ হিসেবে গণ্য করতে অর্থ বিভাগকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর ফলে সরকারি কলেজের শিক্ষকরা আর দীর্ঘ গ্রীষ্মকালীন বা শীতকালীন ছুটি ভোগ করতে পারবেন না।

রোববার (২৯ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক স্মারকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষকরা এখন থেকে অন্যান্য সাধারণ সরকারি কর্মকর্তাদের মতো বছরে নির্ধারিত ২০ দিনের অর্জিত ছুটির আওতায় আসবেন।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের দীর্ঘ অঘোষিত ছুটি কমিয়ে তাদের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজে আরও গতিশীল রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এতদিন গ্রীষ্ম ও শীতকালীন নির্ধারিত ছুটির বাইরেও কলেজ বন্ধ থাকলে শিক্ষকরা এক ধরনের বিশেষ সুবিধা ভোগ করতেন, যা এখন থেকে বন্ধ হতে যাচ্ছে।

স্মারকে উল্লেখ করা হয়, ১৯৫৯ সালের ছুটি বিধিমালা অনুযায়ী অবকাশকালীন কর্মচারীদের ছুটির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই সংজ্ঞা পুনর্বিবেচনার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় আগেই পরামর্শ দিয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় জনপ্রশাসন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় বিধি সংশোধনের উদ্যোগ নেয়।

প্রস্তাবনাটি পর্যালোচনায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শিক্ষা খাতকে সরাসরি ‘নন-ভ্যাকেশন’ বিভাগ ঘোষণা করা কিছুটা জটিল হলেও বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ও কারিগরি শিক্ষা ক্যাডারের সদস্যদের শ্রান্তি বিনোদন ছুটি এবং গড় বেতনে অর্জিত ছুটির বিষয়টি সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। মূলত শিক্ষকদের অন্যান্য সরকারি সুবিধার সমপর্যায়ে আনতেই এই প্রশাসনিক সংস্কার করা হচ্ছে।