বাংলাদেশ ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন ১৯ এপ্রিল দাখিলের দিন ধার্য Logo ৪ হাজার কোটি বাজেটের রণবীর কাপুরের ‘রামায়ণ’ সিনেমার প্রথম টিজার প্রকাশ Logo পিকিং ইউনিভার্সিটিতে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য মাস্টার্স ও ডক্টরাল প্রোগ্রাম, আবেদন আহ্বান Logo বারবার তাড়া করেও শাহেদ ড্রোন আটকাতে ব্যর্থ মার্কিন এফ-১৫ Logo জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ শনিবার Logo ইরানের মাটিতে পা রাখলে কেউ জীবিত ফিরবে না: জেনারেল হাতামি Logo বাংলাদেশ জয় দিয়ে এশিয়ান গেমস হকি বাছাইপর্ব শুরু Logo সিমরিন লুবাবার নতুন অধ্যায়: ‘উই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’, বাগদান সম্পন্ন Logo ‘প্রিন্স’ প্রিমিয়ারে শাকিবের আচরণে বিতর্ক, মুখ খুললেন জ্যোতির্ময়ী Logo ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম হু হু করে নেমেছে

প্রশাসককে সমস্যার কথা জানালেন নগরবাসী

নাগরিক সম্পৃক্ততা ও সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে ঢাকা দক্ষিণের সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ডিএসসিসিতে পালিত হয়েছে ‘পাবলিক হেয়ারিং ডে’।

শনিবার (৭ মার্চ) নগর ভবন মিলনায়তনে এই পাবলিক হেয়ারিং অনুষ্ঠিত হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নগরবাসী সিটি কর্পোরেশন সংক্রান্ত নানা সমস্যা সরাসরি ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালামের কাছে তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা প্রায় অর্ধশতাধিক সাধারণ নাগরিক তাদের এলাকার নানা সমস্যা তুলে ধরেন। সমস্যাগুলোর মধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মশক নিয়ন্ত্রণ, সড়কবাতি, অবৈধ ফুটপাত দখল, সড়ক ও ফুটপাত সংস্কার, জলাবদ্ধতা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংক্রান্ত অভিযোগ ছিল উল্লেখযোগ্য।

নাগরিকদের সমস্যা জানার পর প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের ব্যাখ্যা তলব করেন এবং সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। ফলে উপস্থিত নাগরিকরা তাদের অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি প্রতিক্রিয়া পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সভায় প্রশাসক বলেন, নগরবাসীর সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধান নিশ্চিত করতে জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে লক্ষ্যেই ডিএসসিসি প্রতি শনিবার ‘পাবলিক হেয়ারিং ডে’ চালু করেছে, যাতে নাগরিকরা সরাসরি এসে তাদের কথা বলতে পারেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারে।

নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে নাগরিক ও সিটি কর্পোরেশনের যৌথ দায়িত্ব রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নাগরিকরা যদি ৫০ শতাংশ সহযোগিতা করেন, বাকি ৫০ শতাংশ দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশন পালন করবে।

প্রধানমন্ত্রীর ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ফুলের মতো ঢাকা শহর উপহারের প্রত্যাশা নিয়ে প্রশাসক উপস্থিত নাগরিকদের ফুল দিয়ে ‘পাবলিক হেয়ারিং ডে’-এর শুভেচ্ছা জানান।

উপস্থিত নাগরিকদের মতে এই উদ্যোগের মাধ্যমে নগরবাসী তাদের সমস্যাগুলো সরাসরি তুলে ধরার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম পেয়েছে। তারা আশা করেন, এর ফলে প্রশাসনের জবাবদিহিতা বাড়ার পাশাপাশি নাগরিকদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে নগর সমস্যার দ্রুত ও বাস্তবসম্মত সমাধান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির সব বিভাগীয় প্রধান, ঊর্ধ্বতন ও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন ১৯ এপ্রিল দাখিলের দিন ধার্য

প্রশাসককে সমস্যার কথা জানালেন নগরবাসী

প্রকাশিত: ০৯:৪৬:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

নাগরিক সম্পৃক্ততা ও সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে ঢাকা দক্ষিণের সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ডিএসসিসিতে পালিত হয়েছে ‘পাবলিক হেয়ারিং ডে’।

শনিবার (৭ মার্চ) নগর ভবন মিলনায়তনে এই পাবলিক হেয়ারিং অনুষ্ঠিত হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নগরবাসী সিটি কর্পোরেশন সংক্রান্ত নানা সমস্যা সরাসরি ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালামের কাছে তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা প্রায় অর্ধশতাধিক সাধারণ নাগরিক তাদের এলাকার নানা সমস্যা তুলে ধরেন। সমস্যাগুলোর মধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মশক নিয়ন্ত্রণ, সড়কবাতি, অবৈধ ফুটপাত দখল, সড়ক ও ফুটপাত সংস্কার, জলাবদ্ধতা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংক্রান্ত অভিযোগ ছিল উল্লেখযোগ্য।

নাগরিকদের সমস্যা জানার পর প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের ব্যাখ্যা তলব করেন এবং সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। ফলে উপস্থিত নাগরিকরা তাদের অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি প্রতিক্রিয়া পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সভায় প্রশাসক বলেন, নগরবাসীর সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধান নিশ্চিত করতে জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে লক্ষ্যেই ডিএসসিসি প্রতি শনিবার ‘পাবলিক হেয়ারিং ডে’ চালু করেছে, যাতে নাগরিকরা সরাসরি এসে তাদের কথা বলতে পারেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারে।

নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে নাগরিক ও সিটি কর্পোরেশনের যৌথ দায়িত্ব রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নাগরিকরা যদি ৫০ শতাংশ সহযোগিতা করেন, বাকি ৫০ শতাংশ দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশন পালন করবে।

প্রধানমন্ত্রীর ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ফুলের মতো ঢাকা শহর উপহারের প্রত্যাশা নিয়ে প্রশাসক উপস্থিত নাগরিকদের ফুল দিয়ে ‘পাবলিক হেয়ারিং ডে’-এর শুভেচ্ছা জানান।

উপস্থিত নাগরিকদের মতে এই উদ্যোগের মাধ্যমে নগরবাসী তাদের সমস্যাগুলো সরাসরি তুলে ধরার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম পেয়েছে। তারা আশা করেন, এর ফলে প্রশাসনের জবাবদিহিতা বাড়ার পাশাপাশি নাগরিকদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে নগর সমস্যার দ্রুত ও বাস্তবসম্মত সমাধান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির সব বিভাগীয় প্রধান, ঊর্ধ্বতন ও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।