বাংলাদেশ ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo নীলফামারীর সৈয়দপুরে অনলাইন জুয়া চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, নগদ টাকা ও সরঞ্জাম উদ্ধার Logo লক্ষ্মীপুরে ফেসবুকে প্রকাশ্য হুমকি, ফের আলোচনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সাবেক যুবলীগ নেতা রাজু Logo নাটোরের বড়াইগ্রামে মাদ্রাসা ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা: অভিযুক্ত বাবা-ছেলে কারাগারে Logo এক-এগারোর ‘মূল পরিকল্পনাকারী’ হিসেবে মইন-মতি-মাহফুজের নাম, ট্রাইব্যুনালে মামলার প্রস্তুতি Logo উচ্ছ্বাস থেকে নস্টালজিয়া, বদলে যাওয়া ঈদের গল্প Logo নীলফামারীর পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়, ইজারাদারকে জরিমানা Logo নালিতাবাড়ীতে ধর্ষণের প্রতিবাদে জামায়াতের মানববন্ধন, শরিয়াহভিত্তিক বিচারের দাবি Logo রাঙ্গামাটি কোতয়ালী থানার বার্ষিক পরিদর্শনে পুলিশ সুপার Logo লালপুরে ভ্যান ছিনতাইয়ের চেষ্টা, গণধোলাই শেষে পুলিশের কাছে সোপর্দ Logo নবীনগর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লড়বেন বিএনপি নেতা মাসুদ রানা

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ মামলার বিচার শুরু

বেনজীর আহমেদ

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ১১ কোটির বেশি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন।

রোববার (৩ মে) আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন এ আদেশ দেন এবং আগামী ১৩ মে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহানর রহমান।

আদালত সূত্রে জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। তবে আসামি বেনজীর আহমেদ পলাতক থাকায় তার পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে, গত ৮ মার্চ মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আদালত বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

দুদকের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর এ মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদ তার সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকার স্থাবর এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ উল্লেখ করেন। কিন্তু তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার স্থাবর ও ৮ কোটি ১৫ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায়।

সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এর বিপরীতে বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে ৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকার কিছু বেশি। ব্যয় বাদ দিয়ে তার নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকার মতো।

ফলে, তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ৪ লাখ টাকারও বেশি।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, এসব অর্থের অবৈধ উৎস গোপন রেখে বেনজীর আহমেদ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে অনলাইন জুয়া চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, নগদ টাকা ও সরঞ্জাম উদ্ধার

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ মামলার বিচার শুরু

প্রকাশিত: ০৪:২৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ১১ কোটির বেশি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন।

রোববার (৩ মে) আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন এ আদেশ দেন এবং আগামী ১৩ মে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহানর রহমান।

আদালত সূত্রে জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। তবে আসামি বেনজীর আহমেদ পলাতক থাকায় তার পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে, গত ৮ মার্চ মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আদালত বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

দুদকের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর এ মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদ তার সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকার স্থাবর এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ উল্লেখ করেন। কিন্তু তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার স্থাবর ও ৮ কোটি ১৫ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায়।

সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এর বিপরীতে বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে ৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকার কিছু বেশি। ব্যয় বাদ দিয়ে তার নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকার মতো।

ফলে, তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ৪ লাখ টাকারও বেশি।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, এসব অর্থের অবৈধ উৎস গোপন রেখে বেনজীর আহমেদ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।

kalprakash.com/SS