ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রটাকে মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় ই-পারিবারিক আপিল আদালত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, দেশে ৪৬ লাখের ওপরে মামলা পেন্ডিং রয়েছে। এ বিশাল সংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারকদের ওপর অমানবিক চাপ পড়ে। এ চাপ কমানোর জন্য সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, কোনো কোনো জায়গায় অভিযোগ আছে, কেউ কেউ দুই-তিন ঘণ্টা কোর্ট করেন; বেলা ১১টায় আসেন, দেড়টা-দুইটার মধ্যে কাজ শেষ করে চলে যান। এমন আয়েশি জুডিশিয়াল অফিসার কেউ থেকে থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ন্যায়বিচারের জায়গাটাকে সত্যিকার অর্থে মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গায় পরিণত করতে হলে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও ডিজিটাল সেক্টর। এআইকে মোকাবিলা করতে হলে ডিজিটাল সেক্টরে আরও বেশি পারদর্শী হতে হবে। বিশেষ করে তরুণ বিচারকেরা অনেক বেশি স্মার্ট। তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁরা এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবেন এবং এআইকে সামনে নিয়ে যাবেন।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ইতোমধ্যে ই-বেইল বন্ড চালু করা হয়েছে এবং এর সুফল জনগণ পেতে শুরু করেছে। ডিজিটালি সাক্ষ্য নেওয়া ও ডিজিটালি হাজিরা দেওয়ার বিষয়ে একটি আইন রয়েছে। এটাকে কীভাবে আরও ডিজিটালি আনা যায়, সে বিষয়ে চিন্তা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কোনো কোনো আসামির ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে ডিজিটাল হাজিরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাঁরা ধার্য তারিখে কারাগারে থাকবেন। সেখান থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাঁকে হাজির করে নিশ্চিত করছেন এবং আদালত তাঁর ডিজিটাল হাজিরা নিশ্চিত করে নিচ্ছেন।
kalprakash.com/IM