গাইবান্ধায় মাদরাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে অটোরিকশার ধাক্কায় সোয়াদ মিয়া (৬) নামে প্লে শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই শিশুটির মৃত্যু হয়। সন্তানকে হারিয়ে শোকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন তার মা মিতু খাতুন। পরিবারে চলছে শোকের মাতম।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর উপজেলার বল্লামঝাড় ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কালাম মিয়া। ওই দিন বাদ আছর জানাজা শেষে শিশুটিকে দাফন করা হয়।
নিহত সোয়াদ ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের পাভেল মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় দারুল হিকমা মডেল মাদরাসার প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
শিশুটির পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ক্লাস শেষে বাড়ি ফিরছিল সোয়াদ। বাড়ির কাছাকাছি এসে রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে শিশুটির মাথা ফেটে যায় এবং নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকে।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয় আরেকটি সূত্রের দাবি, শিশুটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শিশুর আত্মীয় মনিরুজ্জামান প্রধান পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, মাদরাসা থেকে ফেরার পথে রাস্তা পার হওয়ার সময় অটোরিকশার ধাক্কায় সোয়াদের মৃত্যু হয়েছে। বাদ আছর জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।
বল্লামঝাড় ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কালাম মিয়া বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। শিশুটির মৃত্যুতে তার মা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। তিনি কোনো কথাই বলছেন না।
kalprakash.com/IM