সাতক্ষীরার সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকায় অবৈধভাবে প্রবেশ করে মাছ ধরার অভিযোগে আট জেলেকে আটক করেছে বন বিভাগ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত দুটি ডিঙি নৌকা, আনুমানিক ২৫ কেজি সাদা মাছ ও অন্যান্য মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের নটাবেকী অভয়ারণ্য এলাকার রায়মঙ্গল নদী থেকে তাঁদের আটক করা হয়। পরে শনিবার (১৭ অক্টোবর) আটক জেলেদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—জুলহাসের ছেলে মো. জাহিদ হাসান (৪২), লিয়াকত আলী গাজীর ছেলে মো. মফিজুল গাজী (২৮), আফছার আলীর ছেলে মো. রবিউল ইসলাম (৪৫), আব্দুল সরদারের ছেলে মো. ইছা সরদার (৩৫), ফজলু হক গাজীর ছেলে মো. রিজাউল গাজী (৪৫), মো. মুনছুর তরফদারের ছেলে মো. রইবুল ইসলাম (৩২), আ. জাহিদের ছেলে নাহিদ হাসান (২৮) এবং জুলহক গাজীর ছেলে মো. কওছার গাজী (৩৯)। তাঁরা সবাই সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পূর্বকৈখালী গ্রামের বাসিন্দা।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ফরেস্ট স্টেশনের আওতাধীন নটাবেকী অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম (ডেপুটি রেঞ্জার) সঙ্গীয় বনকর্মীদের নিয়ে সংরক্ষিত সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকায় টহল দিচ্ছিলেন। এ সময় রায়মঙ্গল নদীর বাওন এলাকায় অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় ওই আট জেলেকে আটক করা হয়।
বন বিভাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা ইরফান হোসেন আট জেলেকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকায় অবৈধভাবে প্রবেশ করে মাছ ধরার অভিযোগে তাঁদের আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে পি.ও.আর. (প্রাথমিক অপরাধ প্রতিবেদন) অনুযায়ী বন মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আটক ব্যক্তিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বন বিভাগ জানিয়েছে, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও অভয়ারণ্য এলাকার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
kalprakash.com/IM