রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ | ২৫ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৮ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | রাত ১১:৩৬:৫২
শিরোনাম
● সাংবাদিক নিবিড়ের নতুন বই ‘পূর্ণতা’, প্রি-অর্ডার শুরু ● এসএসসি পাসেই পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন ১৩ অক্টোবর থেকে ● চাকরি দেবে সিম্ফনি মোবাইল, আবেদন ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ● দুর্গাপূজা উপলক্ষে চলবে বিশেষ ট্রেন, সময়সূচি প্রকাশ ● বিমানবন্দরে হীরা-স্বর্ণালঙ্কার ও মূল্যবান পাথর জব্দ ● ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রচারণা চালানোর নির্দেশ ● রূপপুরে সফলভাবে পরমাণু বিক্রিয়া শুরু ● ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন, ভূমিষ্ঠ শিশু পেল পিতৃপরিচয় ● দিবস পালন নিয়ে নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্র জারি ● এমপি গাজী নজরুলের জামিন ফের নামঞ্জুর ● সাংবাদিক নিবিড়ের নতুন বই ‘পূর্ণতা’, প্রি-অর্ডার শুরু ● এসএসসি পাসেই পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন ১৩ অক্টোবর থেকে ● চাকরি দেবে সিম্ফনি মোবাইল, আবেদন ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ● দুর্গাপূজা উপলক্ষে চলবে বিশেষ ট্রেন, সময়সূচি প্রকাশ ● বিমানবন্দরে হীরা-স্বর্ণালঙ্কার ও মূল্যবান পাথর জব্দ ● ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রচারণা চালানোর নির্দেশ ● রূপপুরে সফলভাবে পরমাণু বিক্রিয়া শুরু ● ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন, ভূমিষ্ঠ শিশু পেল পিতৃপরিচয় ● দিবস পালন নিয়ে নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্র জারি ● এমপি গাজী নজরুলের জামিন ফের নামঞ্জুর

দিবস পালন নিয়ে নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্র জারি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৩
শেয়ার: mail
দিবস পালন নিয়ে নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্র জারি

বছরজুড়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্‌যাপন ও পালন নিয়ে নতুন পরিপত্র জারি করেছে সরকার। এতে জাতীয় পর্যায়ে ১৮টি দিবস ও উৎসব, ঐতিহ্যগত ও সামাজিক গুরুত্বসম্পন্ন ৩৯টি দিবস এবং বিশেষ খাতের প্রতীকী ৩৫টি দিবস পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়। উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত পরিপত্রে দিবসগুলো উদ্‌যাপন ও পালনের ধরন, সরকারি বরাদ্দ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে ১৮টি দিবস ও উৎসব পালিত হবে। এ ছাড়া ঐতিহ্যগতভাবে কিংবা পরিবেশ সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও সামাজিকভাবে উদ্বুদ্ধকরণে সহায়ক ৩৯টি দিবস উদ্‌যাপন বা পালন করা হবে। এসব দিবসের অনুষ্ঠানে মন্ত্রীরা সম্পৃক্ত থাকবেন। অনুষ্ঠানের গুরুত্ব বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সরকারি উৎস থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া যেতে পারে।

অন্যদিকে বিশেষ বিশেষ খাতের প্রতীকী ৩৫টি দিবস সীমিত পরিসরে উদ্‌যাপন বা পালন করা হবে। এসব দিবসের অনুষ্ঠানে মন্ত্রীদের উপস্থিতির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। তবে উন্নয়ন খাত থেকে এসব দিবস পালনের জন্য বিশেষ কোনো বরাদ্দ দেওয়া হবে না।

নতুন পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্ধারিত তিন ধরনের দিবসের বাইরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর আরও কিছু গতানুগতিক দিবস পালন করে থাকে। কোনো কোনো দিবস পুনরাবৃত্তিমূলক এবং বর্তমান সময়ে তেমন গুরুত্ব বহন করে না। সরকারের সময় ও সম্পদ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারি সংস্থাগুলো এ ধরনের দিবস পালনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পরিহার করতে পারে।

এ ছাড়া শিক্ষা সপ্তাহ, প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ, বিজ্ঞান সপ্তাহ, বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ (১ থেকে ৭ আগস্ট), বিশ্ব শিশু সপ্তাহ (২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর), জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ, পুলিশ সপ্তাহ, বিজিবি সপ্তাহ, আনসার সপ্তাহ, মৎস্য পক্ষ, বৃক্ষরোপণ অভিযান ও জাতীয় ক্রীড়া সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা নিয়ে কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী দিবস (২১ নভেম্বর) পালনের ক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা নিয়ে কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। অনুমোদিত কর্মসূচি অনুযায়ী এসব অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।

তবে পরিপত্রে জাতীয় পর্যায়ের দিবসগুলো ছাড়া সাধারণভাবে দিবস পালনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এগুলো হলো—

১) সাজসজ্জা ও বড় ধরনের বিচিত্রানুষ্ঠান যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে। তবে রেডিও ও টেলিভিশনে আলোচনা এবং সীমিত আকারে সেমিনার বা সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা যাবে। এ ছাড়া কর্মদিবসে সমাবেশ বা শোভাযাত্রা পরিহার করতে হবে।

২) কোনো সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানসূচি সাধারণভাবে তিন দিনের মধ্যে সীমিত থাকবে।

৩) সরকারিভাবে গৃহীত কোনো কর্মসূচি যাতে অফিসের কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত না ঘটায়, তা নিশ্চিত করতে হবে এবং আলোচনা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানাদি ছুটির দিনে অথবা অফিস সময়ের পরে আয়োজনের চেষ্টা করতে হবে।

৪) নগদ কিংবা উপকরণ আকারে অর্থ বা সম্পদ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না—এমন সাধারণ ইভেন্টগুলো ছুটির দিনে কিংবা কার্যদিবসে আয়োজন করা যাবে। যেমন: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী প্রচার, পতাকা উত্তোলন (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), ঘরোয়া আলোচনা সভা, রেডিও ও টেলিভিশনে আলোচনা, পত্রিকায় প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রদান ইত্যাদি।

৫) কোনো দিবস বা সপ্তাহ পালন উপলক্ষে রাজধানীর বাইরে থেকে বা জেলা পর্যায় থেকে কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের ঢাকায় আনা যথাসম্ভব পরিহার করা হবে।

৬) সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে মন্ত্রণালয় বা বিভাগগুলো স্ব স্ব অধিক্ষেত্রে সমধর্মী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসসমূহ পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক দিবস উদ্‌যাপনকে প্রাধান্য দিয়ে এ ধরনের দিবসসমূহ একই তারিখে একত্রে পালন করা আবশ্যক। মন্ত্রণালয় বা বিভাগসমূহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এ-বিষয়ক সারসংক্ষেপ মন্ত্রিসভা-বৈঠকে উপস্থাপনের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাবে।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

দিবস পালন নিয়ে নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্র জারি

বিস্তারিত কমেন্টে