বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ | ৫ কার্তিক, ১৪৩৩ | ৯ জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | রাত ৯:২০:৫৫
শিরোনাম
● সৌদি রুটে বিমানের ফ্লাইট চলাচল শুরু ● ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়ায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গাপূজা ● চুনারুঘাটে অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন, ট্রাক্টরসহ আটক ব্যক্তিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ● মোল্লাহাটে পুকুরে ডুবে দুই বছরের শিশু শ্রদ্ধার মৃত্যু ● জয়পুরহাটে থানায় ঢুকে পুলিশের উপর হামলা, গ্রেপ্তার-১ ● চার বছরে কার্বন নিঃসরণ ১৮ শতাংশ কমাতে হবে, সতর্ক করল জাতিসংঘ ● দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে মাউশির জরুরি নির্দেশনা ● ঢাকের তালে নাচলেন শাওন, মাতলেন সিঁদুর খেলায় ● ১০০ ডলার নিয়ে ঢাকা ছাড়া রনি আজ আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা জগতের প্রভাবশালী মুখ ● ঢাকা-গাজীপুর সড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা ● সৌদি রুটে বিমানের ফ্লাইট চলাচল শুরু ● ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়ায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গাপূজা ● চুনারুঘাটে অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন, ট্রাক্টরসহ আটক ব্যক্তিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ● মোল্লাহাটে পুকুরে ডুবে দুই বছরের শিশু শ্রদ্ধার মৃত্যু ● জয়পুরহাটে থানায় ঢুকে পুলিশের উপর হামলা, গ্রেপ্তার-১ ● চার বছরে কার্বন নিঃসরণ ১৮ শতাংশ কমাতে হবে, সতর্ক করল জাতিসংঘ ● দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে মাউশির জরুরি নির্দেশনা ● ঢাকের তালে নাচলেন শাওন, মাতলেন সিঁদুর খেলায় ● ১০০ ডলার নিয়ে ঢাকা ছাড়া রনি আজ আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা জগতের প্রভাবশালী মুখ ● ঢাকা-গাজীপুর সড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা

২০৩০ বিশ্বকাপের জন্য নতুন প্রজন্ম গড়ছে আর্জেন্টিনা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৩
শেয়ার: mail
২০৩০ বিশ্বকাপের জন্য নতুন প্রজন্ম গড়ছে আর্জেন্টিনা

বলিভিয়াকে হারিয়ে নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার পথে প্রথম পরীক্ষায় পাস করেছে আর্জেন্টিনা। নতুন খেলোয়াড়দের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল জাতীয় দলের দর্শন ও খেলার ধরন বুঝে সেটির সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেওয়া। বলিভিয়ার বিপক্ষে জয়ের পর অন্তত একটি বিষয় পরিষ্কার, নতুনরা সেই দর্শন বুঝতে এবং তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে প্রস্তুত।

তবে এই পরিবর্তনের ভিত্তি একদিনে তৈরি হয়নি। লিওনেল মেসি চিরকাল জাতীয় দলের হয়ে খেলবেন না, এই বাস্তবতা মাথায় রেখেই বেশ কয়েক বছর আগে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। এখন সেই পরিকল্পনাই ধীরে ধীরে বাস্তব রূপ পাচ্ছে।

অক্টোবরে জাতীয় দলে ডাক পাওয়া ৩৭ খেলোয়াড়ের মধ্যে ১৯ জনই কোচ লিওনেল স্কালোনির শুরু থেকে দলের সঙ্গে ছিলেন। অর্থাৎ নতুন প্রজন্ম তৈরির এই পরিকল্পনার শিকড় বেশ পুরোনো। এর শুরু ২০১৭ সালে, যখন দিয়েগো প্লাসেন্তে ও পাবলো আইমার আর্জেন্টিনার যুব কাঠামোর সঙ্গে কোচ হিসেবে যুক্ত হন।

বয়সভিত্তিক দলই মূল ভিত্তি

আর্জেন্টিনার সাম্প্রতিক সাফল্যের পেছনে বয়সভিত্তিক দলগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপজয়ী দলের অনেক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ই বয়সভিত্তিক পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় দলে উঠে এসেছেন।

হুলিয়ান আলভারেজ যেমন ২০২২ বিশ্বকাপে এসেছিলেন ২০১৯ সালের অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে। সেই দলের কোচ ছিলেন ফের্নান্দো বাতিস্তা। এনজো ফার্নান্দেজও বাতিস্তার অধীনে খেলেছেন। ২০২০ সালে তাঁর অধীনে তিনটি প্রীতি ম্যাচে অংশ নেন এনজো।

আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও তিয়াগো আলমাদাকেও কোচিং করিয়েছেন বাতিস্তা। তাঁদের নিয়ে তিনি প্রাক-অলিম্পিক টুর্নামেন্ট ও টোকিও ২০২১ অলিম্পিকেও কাজ করেছেন।

২০২৬ বিশ্বকাপেও বয়সভিত্তিক দল থেকে উঠে আসা খেলোয়াড়দের উপস্থিতি বেড়েছে। বাতিস্তার অধীনে যুব দলে খেলা ফাকুন্দো মেদিনা ও নিকোলাস গনসালেসও পরে বিশ্বকাপের মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছেন।

স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে ওঠা দলের ৩৮.৬ শতাংশ খেলোয়াড় অন্তত একটি বয়সভিত্তিক দলে খেলেছিলেন। পেকারমানের সময় থেকে চলে আসা সেই যুব কাঠামোর প্রভাব এবার আরও স্পষ্ট। অক্টোবরের জাতীয় দলের তালিকায় বয়সভিত্তিক দলের অভিজ্ঞতা থাকা খেলোয়াড়ের হার ৫১ শতাংশ ছাড়িয়েছে।

মাসচেরানোর দল থেকে উঠে আসছেন নতুনরা

নতুন করে ডাক পাওয়া খেলোয়াড়দের বড় একটি অংশ এসেছে হাভিয়ের মাসচেরানোর অধীনে অনূর্ধ্ব-২০ দলে খেলা প্রজন্ম থেকে। বর্তমান দলে ডাক পাওয়া নয়জন খেলোয়াড়ই মাসচেরানোর সময়ে যুব দলে ছিলেন। পরে তাঁদের অনেকেই দিয়েগো প্লাসেন্তের অধীনেও কাজ করেছেন।

এই তালিকায় আছেন নিকো পাজ, আগুস্তিন গিয়াই, ভালেন্তিন গোমেজ, ভালেন্তিন বার্কো, রোমান বেগা ও মাতিয়াস সোলে। তাঁদের কেউ দক্ষিণ আমেরিকার অনূর্ধ্ব-২৩ দল, কেউ আবার আর্জেন্টিনায় অনুষ্ঠিত বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপের দলে ছিলেন।

মাসচেরানোর সঙ্গে অনূর্ধ্ব-২৩ পর্যায়েও কাজ করেছেন ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তুয়োনো, ইকি ফার্নান্দেজ ও সান্তিয়াগো কাস্ত্রোর মতো তরুণরা। তাঁর উত্তরসূরি প্লাসেন্তেও ২০২৫ সালের ফিফা প্রতিযোগিতায় আন্দ্রাদা ও জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ন্নির মতো খেলোয়াড়দের বিবেচনায় রেখেছিলেন।

মেসি-দি মারিয়াদের পরবর্তী যুগ

পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় কারণ অবশ্যই প্রজন্মের স্বাভাবিক পরিবর্তন। মেসি ও নিকোলাস ওতামেন্দির জাতীয় দলের অধ্যায় শেষের দিকে। অ্যাঞ্জেল দি মারিয়া ইতিমধ্যেই বিদায় নিয়েছেন। লিয়ান্দ্রো পারেদেস, জিওভানি লো সেলসো ও রদ্রিগো দি পলও ধীরে ধীরে ক্যারিয়ারের পরবর্তী পর্যায়ে চলে যাচ্ছেন।

ফলে জাতীয় দলে নতুন খেলোয়াড়দের জন্য জায়গা তৈরি হচ্ছে। আর এই জায়গাগুলো পূরণের জন্য স্কালোনির হাতে প্রস্তুত একটি প্রজন্ম।

স্কালোনিও জানিয়েছেন, এই পর্যায়ে শুধু নির্দিষ্ট কোনো কৌশল বা সিস্টেমের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না তাঁরা। বরং খেলোয়াড়দের বেশি করে পরখ করা হবে। কারণ দলের মূল সিস্টেম ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত। এখন প্রয়োজন সেই কাঠামোর বিভিন্ন জায়গায় সঠিক খেলোয়াড় খুঁজে বের করা এবং তাঁদের থিতু করা।

এটাই স্কালোনির প্রজেক্ট ২০৩০

আর্জেন্টিনার ২০৩০ প্রকল্পের মূল ভাবনা তাই শুধু নতুন খেলোয়াড় ডাকা নয়। বরং বয়সভিত্তিক দল থেকে ধারাবাহিকভাবে খেলোয়াড় তৈরি করে জাতীয় দলের দর্শনের সঙ্গে তাঁদের পরিচিত করা, ধীরে ধীরে মূল দলে জায়গা দেওয়া এবং অভিজ্ঞদের সঙ্গে তাঁদের সমন্বয় তৈরি করা।

স্কালোনির সবচেয়ে বড় সুবিধা, জাতীয় দলের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের কাজ এবং ইতিমধ্যে পাওয়া সাফল্যের অভিজ্ঞতা। ফলে নতুন প্রজন্মকে জাতীয় দলের কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার কাজটিও একেবারে শূন্য থেকে শুরু করতে হচ্ছে না।

মেসি-দি মারিয়াদের প্রজন্মের পর আর্জেন্টিনা কেমন হবে, তার উত্তর হয়তো এখনই পুরোপুরি পাওয়া যাবে না। তবে বর্তমানের দল নির্বাচন ও বয়সভিত্তিক কাঠামোর দিকে তাকালে বোঝা যায়, ২০৩০কে সামনে রেখে পরবর্তী প্রজন্ম তৈরির কাজ বেশ কিছুদিন ধরেই চলছে।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

২০৩০ বিশ্বকাপের জন্য নতুন প্রজন্ম গড়ছে আর্জেন্টিনা

বিস্তারিত কমেন্টে